ভারতের মুম্বাইয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে ফরেনসিক প্রতিবেদন। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী কেবল তরমুজ খেয়ে খাদ্য বিষক্রিয়ায় নয়, বরং ইঁদুর মারার বিষ ‘জিঙ্ক ফসফাইট’-এর প্রভাবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের দেহে এবং তাঁদের খাওয়া ফলের নমুনায় এই বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
গত ৭ মে প্রকাশিত এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪৫ বছর বয়সি আবদুল্লাহ দোকাদিয়া, তাঁর স্ত্রী নাসরিন এবং তাঁদের দুই কিশোরী কন্যা জয়নাব ও আয়েশা নিজ বাড়িতে নৈশভোজের পর রাতে তরমুজ খান। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের তীব্র বমি ও ডায়রিয়া শুরু হয় এবং দ্রুতই পরিবারের সবাই মারা যান। ময়নাতদন্তে নিহতদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সবুজ আভা দেখা যাওয়ায় চিকিৎসকরা শুরু থেকেই বিষক্রিয়ার সন্দেহ করেছিলেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, নিহত আবদুল্লাহ দোকাদিয়ার শরীরে শক্তিশালী ব্যথানাশক ‘মরফিন’-এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ফরেনসিক পরীক্ষায় তরমুজের ভেতরেও বিষাক্ত জিঙ্ক ফসফাইট মেলায় পুলিশ খতিয়ে দেখছে এটি দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে নাকি ইনজেকশনের মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মেশানো হয়েছে।
ওই রাতে পরিবারটির আয়োজিত নৈশভোজে আসা অতিথিরা সবাই সুস্থ আছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অতিথিরা কেবল খাসি পোলাও খেয়েছিলেন এবং তাঁরা তরমুজ খাননি বলেই রক্ষা পেয়েছেন। বর্তমানে পুলিশ এই ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করে অতিথিদের জবানবন্দি রেকর্ডসহ ঘটনার বিস্তারিত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
ভারতের মুম্বাইয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে ফরেনসিক প্রতিবেদন। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী কেবল তরমুজ খেয়ে খাদ্য বিষক্রিয়ায় নয়, বরং ইঁদুর মারার বিষ ‘জিঙ্ক ফসফাইট’-এর প্রভাবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের দেহে এবং তাঁদের খাওয়া ফলের নমুনায় এই বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
গত ৭ মে প্রকাশিত এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪৫ বছর বয়সি আবদুল্লাহ দোকাদিয়া, তাঁর স্ত্রী নাসরিন এবং তাঁদের দুই কিশোরী কন্যা জয়নাব ও আয়েশা নিজ বাড়িতে নৈশভোজের পর রাতে তরমুজ খান। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের তীব্র বমি ও ডায়রিয়া শুরু হয় এবং দ্রুতই পরিবারের সবাই মারা যান। ময়নাতদন্তে নিহতদের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সবুজ আভা দেখা যাওয়ায় চিকিৎসকরা শুরু থেকেই বিষক্রিয়ার সন্দেহ করেছিলেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, নিহত আবদুল্লাহ দোকাদিয়ার শরীরে শক্তিশালী ব্যথানাশক ‘মরফিন’-এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ফরেনসিক পরীক্ষায় তরমুজের ভেতরেও বিষাক্ত জিঙ্ক ফসফাইট মেলায় পুলিশ খতিয়ে দেখছে এটি দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে নাকি ইনজেকশনের মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মেশানো হয়েছে।
ওই রাতে পরিবারটির আয়োজিত নৈশভোজে আসা অতিথিরা সবাই সুস্থ আছেন। পুলিশ জানিয়েছে, অতিথিরা কেবল খাসি পোলাও খেয়েছিলেন এবং তাঁরা তরমুজ খাননি বলেই রক্ষা পেয়েছেন। বর্তমানে পুলিশ এই ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করে অতিথিদের জবানবন্দি রেকর্ডসহ ঘটনার বিস্তারিত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন