ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে ভ্যাটিকানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তারা ওয়াশিংটন ও ভ্যাটিকানের মধ্যে দৃঢ় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে পোপের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে মতভিন্নতার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দুই পক্ষই বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং শান্তির পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পোপ এবং রুবিও উভয়ই দ্বিপক্ষীয় সুসম্পর্ক বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র এই বৈঠককে দুই রাষ্ট্রের শক্তিশালী সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে প্রথম পোপ নির্বাচিত হওয়া লিও শুরু থেকেই ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধংদেহী মনোভাব এবং কঠোর অভিবাসন নীতির সমালোচনা করে আসছেন। এর বিপরীতে ট্রাম্পও বিভিন্ন সময় পোপের ওপর ব্যক্তিগত আক্রমণ চালিয়েছেন, যা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল। এই বৈরী সম্পর্ক মেরামতের লক্ষ্য নিয়েই পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও চলতি সপ্তাহে রোম সফরে যান।
বৈঠক শেষে সৌজন্যতার অংশ হিসেবে পোপ লিও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জলপাই কাঠের তৈরি একটি কলম উপহার দেন, যাকে তিনি ‘শান্তির গাছ’ হিসেবে বর্ণনা করেন। অন্যদিকে মার্কো রুবিও পোপকে একটি ক্রিস্টাল ফুটবল উপহার দেন। এর আগে ট্রাম্প পোপের বিরুদ্ধে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনে সমর্থনের অভিযোগ আনলেও, পোপ তা প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন যে তিনি কেবল খ্রিস্টীয় শান্তির বার্তা প্রচার করছেন।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে ভ্যাটিকানে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তারা ওয়াশিংটন ও ভ্যাটিকানের মধ্যে দৃঢ় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তোলার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে পোপের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে মতভিন্নতার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দুই পক্ষই বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং শান্তির পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পোপ এবং রুবিও উভয়ই দ্বিপক্ষীয় সুসম্পর্ক বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র এই বৈঠককে দুই রাষ্ট্রের শক্তিশালী সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে প্রথম পোপ নির্বাচিত হওয়া লিও শুরু থেকেই ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধংদেহী মনোভাব এবং কঠোর অভিবাসন নীতির সমালোচনা করে আসছেন। এর বিপরীতে ট্রাম্পও বিভিন্ন সময় পোপের ওপর ব্যক্তিগত আক্রমণ চালিয়েছেন, যা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল। এই বৈরী সম্পর্ক মেরামতের লক্ষ্য নিয়েই পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও চলতি সপ্তাহে রোম সফরে যান।
বৈঠক শেষে সৌজন্যতার অংশ হিসেবে পোপ লিও পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জলপাই কাঠের তৈরি একটি কলম উপহার দেন, যাকে তিনি ‘শান্তির গাছ’ হিসেবে বর্ণনা করেন। অন্যদিকে মার্কো রুবিও পোপকে একটি ক্রিস্টাল ফুটবল উপহার দেন। এর আগে ট্রাম্প পোপের বিরুদ্ধে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনে সমর্থনের অভিযোগ আনলেও, পোপ তা প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন যে তিনি কেবল খ্রিস্টীয় শান্তির বার্তা প্রচার করছেন।

আপনার মতামত লিখুন