দুর্নীতি ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ওয়েই ফেংহে এবং জেনারেল লি শাংফুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। তবে এই দণ্ডাদেশে দুই বছরের স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে, যার অর্থ হলো—সাধারণত ভালো আচরণের ভিত্তিতে চীনে এ ধরনের সাজা পরবর্তীতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করা হয়। শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, দণ্ডিত দুই জেনারেলের মধ্যে ওয়েই ফেংহে বিপুল পরিমাণ ঘুষ গ্রহণের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে, জেনারেল লি শাংফুর বিরুদ্ধে শুধু ঘুষ নেওয়া নয়, বরং অন্যকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে। তারা দুজনেই চীনের সশস্ত্র বাহিনী থেকে দুর্নীতি নির্মূল এবং আনুগত্য নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর শুদ্ধি অভিযানে এ পর্যন্ত দণ্ডিত হওয়া সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
কয়েক বছর আগে শি জিনপিং সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছিলেন, এই দুই জেনারেল ছিলেন সেই প্রক্রিয়ায় অপসারিত ও গ্রেফতার হওয়া প্রথম সারির কর্মকর্তা। ওয়াশিংটনের গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযান শুরুর পর থেকে চীনের প্রায় ১০০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে অথবা তারা জনসমক্ষ থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছেন।
বিবৃতিতে তাদের অপরাধের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা না হলেও, একে সামরিক বাহিনীর ভেতর কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রাখার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই বছরের স্থগিতাদেশসহ এই মৃত্যুদণ্ডের অর্থ হলো, তাঁদের বাকি জীবন সম্ভবত কারাগারেই কাটাতে হবে। এই দণ্ডাদেশ চীনের রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে একটি শক্তিশালী সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
দুর্নীতি ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ওয়েই ফেংহে এবং জেনারেল লি শাংফুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। তবে এই দণ্ডাদেশে দুই বছরের স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে, যার অর্থ হলো—সাধারণত ভালো আচরণের ভিত্তিতে চীনে এ ধরনের সাজা পরবর্তীতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করা হয়। শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, দণ্ডিত দুই জেনারেলের মধ্যে ওয়েই ফেংহে বিপুল পরিমাণ ঘুষ গ্রহণের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে, জেনারেল লি শাংফুর বিরুদ্ধে শুধু ঘুষ নেওয়া নয়, বরং অন্যকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও প্রমাণিত হয়েছে। তারা দুজনেই চীনের সশস্ত্র বাহিনী থেকে দুর্নীতি নির্মূল এবং আনুগত্য নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর শুদ্ধি অভিযানে এ পর্যন্ত দণ্ডিত হওয়া সর্বোচ্চ পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
কয়েক বছর আগে শি জিনপিং সামরিক বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে যে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছিলেন, এই দুই জেনারেল ছিলেন সেই প্রক্রিয়ায় অপসারিত ও গ্রেফতার হওয়া প্রথম সারির কর্মকর্তা। ওয়াশিংটনের গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’-এর তথ্য অনুযায়ী, এই অভিযান শুরুর পর থেকে চীনের প্রায় ১০০ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে অথবা তারা জনসমক্ষ থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছেন।
বিবৃতিতে তাদের অপরাধের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা না হলেও, একে সামরিক বাহিনীর ভেতর কঠোর শৃঙ্খলা বজায় রাখার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই বছরের স্থগিতাদেশসহ এই মৃত্যুদণ্ডের অর্থ হলো, তাঁদের বাকি জীবন সম্ভবত কারাগারেই কাটাতে হবে। এই দণ্ডাদেশ চীনের রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে একটি শক্তিশালী সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন