ঢাকা নিউজ

পালটাপালটি হামলার মধ্যেও যুদ্ধবিরতি কার্যকরের দাবি ট্রাম্পের



পালটাপালটি হামলার মধ্যেও যুদ্ধবিরতি কার্যকরের দাবি ট্রাম্পের
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পালটাপালটি হামলার ঘটনায় চলমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চুক্তিটি এখনো কার্যকর রয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কোন পক্ষ প্রথম হামলা চালিয়েছে, তা নিয়ে উভয় দেশ একে অপরকে দোষারোপ করছে।

ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং উপকূলীয় কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। এর জবাবে ইরানও মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলা চালিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি’ করার দাবি করেছে। ইরানের অভিযোগ, এই হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।

অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই হামলাকে ‘উসকানিহীন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানি বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান ব্যবহার করে মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার জাহাজগুলোর ওপর হামলা চালায়। এর জবাবে তারা ‘আত্মরক্ষামূলক’ ব্যবস্থা হিসেবে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও কমান্ড সেন্টারগুলোতে পালটা হামলা চালিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের এই কর্মকাণ্ডকে ‘বাড়াবাড়ি’ হিসেবে উল্লেখ করলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মাত্র একদিন আগেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব বিবেচনার কথা জানিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে যে তারা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে চায় না, তবে নিজেদের বাহিনী রক্ষায় তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬


পালটাপালটি হামলার মধ্যেও যুদ্ধবিরতি কার্যকরের দাবি ট্রাম্পের

প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬

featured Image

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পালটাপালটি হামলার ঘটনায় চলমান যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, চুক্তিটি এখনো কার্যকর রয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কোন পক্ষ প্রথম হামলা চালিয়েছে, তা নিয়ে উভয় দেশ একে অপরকে দোষারোপ করছে।

ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়া একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে এবং উপকূলীয় কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। এর জবাবে ইরানও মার্কিন সামরিক জাহাজে হামলা চালিয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি’ করার দাবি করেছে। ইরানের অভিযোগ, এই হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে।

অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই হামলাকে ‘উসকানিহীন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানি বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান ব্যবহার করে মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার জাহাজগুলোর ওপর হামলা চালায়। এর জবাবে তারা ‘আত্মরক্ষামূলক’ ব্যবস্থা হিসেবে ইরানের ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও কমান্ড সেন্টারগুলোতে পালটা হামলা চালিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের এই কর্মকাণ্ডকে ‘বাড়াবাড়ি’ হিসেবে উল্লেখ করলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মাত্র একদিন আগেই ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব বিবেচনার কথা জানিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্ট করেছে যে তারা পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে চায় না, তবে নিজেদের বাহিনী রক্ষায় তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ