রুশ বাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার মো. রিয়াদ রশিদ। নিহত রিয়াদ উপজেলার জাফরাবাদ ইউনিয়নের মাঝিরকোনা গ্রামের বাসিন্দা এবং রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়মিত সৈন্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে রুশ সীমান্তে ইউক্রেনীয় বাহিনীর চালানো ড্রোন হামলায় রিয়াদসহ দুই বাংলাদেশি ও একজন নাইজেরীয় নাগরিক নিহত হন। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাশিয়ার একই ক্যাম্পে কর্মরত রিয়াদের বন্ধু লিমন দত্তের মাধ্যমে পরিবার এই মৃত্যুর সংবাদটি জানতে পারে। হামলায় লিমন নিজেও গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবার জানিয়েছে, রিয়াদ গত বছরের অক্টোবরে একটি কোম্পানির কাজে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন এবং গত এপ্রিলে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তবে সেনাবাহিনীতে যোগদানের বিষয়টি তিনি পরিবারকে আগে জানাননি। ছেলের মৃত্যুর খবরে এবং মরদেহের সন্ধান না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার বাবা আব্দুর রশিদ।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাদাৎ মো. সায়েম নিহতের পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন এবং সরকারি সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরানুল কবির জানান, পুলিশ নিহতের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
রুশ বাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার মো. রিয়াদ রশিদ। নিহত রিয়াদ উপজেলার জাফরাবাদ ইউনিয়নের মাঝিরকোনা গ্রামের বাসিন্দা এবং রুশ সেনাবাহিনীতে নিয়মিত সৈন্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে রুশ সীমান্তে ইউক্রেনীয় বাহিনীর চালানো ড্রোন হামলায় রিয়াদসহ দুই বাংলাদেশি ও একজন নাইজেরীয় নাগরিক নিহত হন। শুক্রবার সন্ধ্যায় রাশিয়ার একই ক্যাম্পে কর্মরত রিয়াদের বন্ধু লিমন দত্তের মাধ্যমে পরিবার এই মৃত্যুর সংবাদটি জানতে পারে। হামলায় লিমন নিজেও গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবার জানিয়েছে, রিয়াদ গত বছরের অক্টোবরে একটি কোম্পানির কাজে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন এবং গত এপ্রিলে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তবে সেনাবাহিনীতে যোগদানের বিষয়টি তিনি পরিবারকে আগে জানাননি। ছেলের মৃত্যুর খবরে এবং মরদেহের সন্ধান না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার বাবা আব্দুর রশিদ।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাদাৎ মো. সায়েম নিহতের পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন এবং সরকারি সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরানুল কবির জানান, পুলিশ নিহতের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন