দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। রোববার দুপুরে আরাজী পলাশবাড়ি এলাকায় কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এবং খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে তিনি এই প্রকল্পের সূচনা করেন। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারা দেশে নদী-নালা ও জলাশয় খনন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দাশেরহাট ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত এই পুনঃখনন কাজে প্রায় ৫১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ভেকু দিয়ে মাটি কাটা, তিনটি কালভার্ট নির্মাণ এবং ১১৯ জন শ্রমিকের মাধ্যমে ড্রেসিং ও লেভেলিংয়ের কাজ সম্পন্ন করা হবে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে।
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের আগে মন্ত্রী জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের ভরাট হওয়া এই খালটি পুনরায় সচল হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও ফসল রক্ষা করা সহজ হবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নে দুই কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। রোববার দুপুরে আরাজী পলাশবাড়ি এলাকায় কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এবং খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে তিনি এই প্রকল্পের সূচনা করেন। সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারা দেশে নদী-নালা ও জলাশয় খনন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দাশেরহাট ছড়া থেকে এসিল্যান্ড সংযোগ খাল পর্যন্ত এই পুনঃখনন কাজে প্রায় ৫১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ভেকু দিয়ে মাটি কাটা, তিনটি কালভার্ট নির্মাণ এবং ১১৯ জন শ্রমিকের মাধ্যমে ড্রেসিং ও লেভেলিংয়ের কাজ সম্পন্ন করা হবে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে।
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের আগে মন্ত্রী জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের ভরাট হওয়া এই খালটি পুনরায় সচল হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও ফসল রক্ষা করা সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন