লক্ষ্মীপুরের রায়পুর শহরে বিসিএস ক্যাডার পাত্রের জন্য পাত্রী খুঁজতে অভিনব এক মাইকিংয়ের ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রায়পুর শহরের ব্যস্ত রাজপথে একটি অটোরিকশায় রঙিন পোস্টার সাঁটিয়ে এই প্রচারণা চালানো হয়। সাধারণ কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপনের বদলে সরাসরি বিসিএস ক্যাডার পাত্রের বিয়ের ঘোষণা শুনে স্থানীয় পথচারীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।
‘ঘটক সেবা’ নামক একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই প্রচারণার আয়োজন করা হয়। তাদের মাইকিং ও পোস্টারে শুধু বিসিএস ক্যাডারই নয়, বরং ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার, প্রবাসী এবং ডিভোর্সি পাত্র-পাত্রীর সন্ধানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ডিজিটাল যুগে জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রচলিত অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের বাইরে গিয়ে রাস্তায় সশরীরে এমন প্রচারণার পদ্ধতি পুরো লক্ষ্মীপুর জেলায় চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্মীপুর জেলা পরিচালক মো. শরিফ হোসেন জানান, মানুষের কাছে দ্রুত ও সহজে পৌঁছানোর লক্ষ্যেই তারা এই ভিন্নধর্মী প্রচারণার পথ বেছে নিয়েছেন। মূলত উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর সন্ধান পেতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তাদের দাবি।
স্থানীয়দের মতে, বিয়ের বাজারে পেশাদারিত্বের মোড়কে এটি এক নতুন ধরনের প্রতিযোগিতার প্রতিফলন। রায়পুরের এই বিচিত্র মাইকিং শেষ পর্যন্ত কতজনকে বিয়ের পিঁড়িতে বসাতে সক্ষম হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর শহরে বিসিএস ক্যাডার পাত্রের জন্য পাত্রী খুঁজতে অভিনব এক মাইকিংয়ের ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার রায়পুর শহরের ব্যস্ত রাজপথে একটি অটোরিকশায় রঙিন পোস্টার সাঁটিয়ে এই প্রচারণা চালানো হয়। সাধারণ কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপনের বদলে সরাসরি বিসিএস ক্যাডার পাত্রের বিয়ের ঘোষণা শুনে স্থানীয় পথচারীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে।
‘ঘটক সেবা’ নামক একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই প্রচারণার আয়োজন করা হয়। তাদের মাইকিং ও পোস্টারে শুধু বিসিএস ক্যাডারই নয়, বরং ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার, প্রবাসী এবং ডিভোর্সি পাত্র-পাত্রীর সন্ধানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ডিজিটাল যুগে জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রচলিত অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের বাইরে গিয়ে রাস্তায় সশরীরে এমন প্রচারণার পদ্ধতি পুরো লক্ষ্মীপুর জেলায় চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্মীপুর জেলা পরিচালক মো. শরিফ হোসেন জানান, মানুষের কাছে দ্রুত ও সহজে পৌঁছানোর লক্ষ্যেই তারা এই ভিন্নধর্মী প্রচারণার পথ বেছে নিয়েছেন। মূলত উপযুক্ত পাত্র-পাত্রীর সন্ধান পেতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তাদের দাবি।
স্থানীয়দের মতে, বিয়ের বাজারে পেশাদারিত্বের মোড়কে এটি এক নতুন ধরনের প্রতিযোগিতার প্রতিফলন। রায়পুরের এই বিচিত্র মাইকিং শেষ পর্যন্ত কতজনকে বিয়ের পিঁড়িতে বসাতে সক্ষম হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন