যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চলতি সপ্তাহে বেইজিংয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার ট্রাম্পের বেইজিং পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৭ সালের পর ট্রাম্পের এটিই প্রথম চীন সফর এবং বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির দেশের নেতার মধ্যে ছয় মাসেরও বেশি সময় পর এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ।
এই বৈঠকে ইরান, তাইওয়ান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং বাণিজ্যসহ একাধিক স্পর্শকাতর আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিশেষ করে গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান ও ইসরাইল উত্তেজনার পর ওয়াশিংটন চাইছে চীন যেন তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে প্রভাবিত করে। এ ছাড়া বিরল খনিজ সম্পদ সরবরাহসংক্রান্ত বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো এবং রাশিয়ার সঙ্গে চীনের সম্পর্ক নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন।
বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দুই দেশ পারস্পরিক বিনিয়োগ সহজ করতে ‘বোর্ড অব ট্রেড’ এবং ‘বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট’ নামক নতুন ফোরাম গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করতে পারে। এই সফরের অংশ হিসেবে চীন বোয়িং উড়োজাহাজ, মার্কিন কৃষিপণ্য এবং জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ক্রয়চুক্তির ঘোষণা দেবে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। যদিও তাইওয়ান ইস্যু এবং চীনের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে এসব বিষয়ে আলোচনা বেশ উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে।
প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে একটি সরাসরি যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দিতে পারে ওয়াশিংটন। এর আগে গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই নেতার বৈঠকে তীব্র বাণিজ্য যুদ্ধ সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন তারা। বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের এই বৈঠক কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং চলতি সপ্তাহে বেইজিংয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার ট্রাম্পের বেইজিং পৌঁছানোর কথা রয়েছে এবং বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৭ সালের পর ট্রাম্পের এটিই প্রথম চীন সফর এবং বিশ্বের বৃহত্তম দুই অর্থনীতির দেশের নেতার মধ্যে ছয় মাসেরও বেশি সময় পর এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ।
এই বৈঠকে ইরান, তাইওয়ান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং বাণিজ্যসহ একাধিক স্পর্শকাতর আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিশেষ করে গত ফেব্রুয়ারিতে ইরান ও ইসরাইল উত্তেজনার পর ওয়াশিংটন চাইছে চীন যেন তেহরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে প্রভাবিত করে। এ ছাড়া বিরল খনিজ সম্পদ সরবরাহসংক্রান্ত বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো এবং রাশিয়ার সঙ্গে চীনের সম্পর্ক নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন।
বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে দুই দেশ পারস্পরিক বিনিয়োগ সহজ করতে ‘বোর্ড অব ট্রেড’ এবং ‘বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট’ নামক নতুন ফোরাম গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করতে পারে। এই সফরের অংশ হিসেবে চীন বোয়িং উড়োজাহাজ, মার্কিন কৃষিপণ্য এবং জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ক্রয়চুক্তির ঘোষণা দেবে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। যদিও তাইওয়ান ইস্যু এবং চীনের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে এসব বিষয়ে আলোচনা বেশ উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে।
প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে একটি সরাসরি যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব দিতে পারে ওয়াশিংটন। এর আগে গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই নেতার বৈঠকে তীব্র বাণিজ্য যুদ্ধ সাময়িকভাবে স্থগিত করার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন তারা। বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিংয়ের এই বৈঠক কেবল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্যই নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।

আপনার মতামত লিখুন