আমের মৌসুম পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই বাজারে নজরকাড়া হলুদ রঙের আম দেখা যাচ্ছে। তবে বাইরে থেকে দেখতে পাকা মনে হলেও কাটার পর অনেক সময় ভেতরে শক্ত ও টক পাওয়া যাচ্ছে, যা মূলত অপরিপক্ক আমকে রাসায়নিক দিয়ে পাকানোর ফল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা দ্রুত আম পাকাতে ক্যালসিয়াম কার্বাইডের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করছেন যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই রাসায়নিক বাতাসের সংস্পর্শে এসে অ্যাসিটিলিন গ্যাস তৈরির মাধ্যমে দ্রুত ফল পাকায় এবং আমের রঙ আকর্ষণীয় করতে বিভিন্ন স্প্রেও ব্যবহার করা হয়।
প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম চেনার প্রধান উপায় হলো এর রঙ ও ঘ্রাণ পর্যবেক্ষণ করা। গাছপাকা আম সাধারণত পুরোপুরি সমান হলুদ হয় না, বরং গায়ে সবুজাভ বা লালচে আভা এবং ছোট কালচে দাগ থাকতে পারে। এর সুঘ্রাণ হবে মিষ্টি ও স্বাভাবিক। অন্যদিকে রাসায়নিকযুক্ত আম অস্বাভাবিক উজ্জ্বল ও অতিরিক্ত চকচকে দেখায় এবং এতে কোনো সুগন্ধ থাকে না, বরং অনেক সময় কটু বা ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়া যেতে পারে।
এ ছাড়া আম পরীক্ষা করার জন্য পানিতে ডুবিয়ে দেখা যেতে পারে। সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম পানিতে তলিয়ে যায়, যেখানে রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম ভেসে থাকতে পারে। স্বাদের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা; রাসায়নিকযুক্ত আম বাইরে থেকে পাকা দেখালেও ভেতরে সাদাটে ও শক্ত থাকে এবং খাওয়ার সময় জিভ বা গলায় অস্বস্তি হতে পারে। তাই আম কেনার সময় কেবল উজ্জ্বল রঙ দেখে আকৃষ্ট না হয়ে গঠন ও স্বাভাবিকত্ব যাচাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
আমের মৌসুম পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই বাজারে নজরকাড়া হলুদ রঙের আম দেখা যাচ্ছে। তবে বাইরে থেকে দেখতে পাকা মনে হলেও কাটার পর অনেক সময় ভেতরে শক্ত ও টক পাওয়া যাচ্ছে, যা মূলত অপরিপক্ক আমকে রাসায়নিক দিয়ে পাকানোর ফল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা দ্রুত আম পাকাতে ক্যালসিয়াম কার্বাইডের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করছেন যা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই রাসায়নিক বাতাসের সংস্পর্শে এসে অ্যাসিটিলিন গ্যাস তৈরির মাধ্যমে দ্রুত ফল পাকায় এবং আমের রঙ আকর্ষণীয় করতে বিভিন্ন স্প্রেও ব্যবহার করা হয়।
প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম চেনার প্রধান উপায় হলো এর রঙ ও ঘ্রাণ পর্যবেক্ষণ করা। গাছপাকা আম সাধারণত পুরোপুরি সমান হলুদ হয় না, বরং গায়ে সবুজাভ বা লালচে আভা এবং ছোট কালচে দাগ থাকতে পারে। এর সুঘ্রাণ হবে মিষ্টি ও স্বাভাবিক। অন্যদিকে রাসায়নিকযুক্ত আম অস্বাভাবিক উজ্জ্বল ও অতিরিক্ত চকচকে দেখায় এবং এতে কোনো সুগন্ধ থাকে না, বরং অনেক সময় কটু বা ঝাঁজালো গন্ধ পাওয়া যেতে পারে।
এ ছাড়া আম পরীক্ষা করার জন্য পানিতে ডুবিয়ে দেখা যেতে পারে। সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম পানিতে তলিয়ে যায়, যেখানে রাসায়নিক দিয়ে পাকানো আম ভেসে থাকতে পারে। স্বাদের ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্নতা; রাসায়নিকযুক্ত আম বাইরে থেকে পাকা দেখালেও ভেতরে সাদাটে ও শক্ত থাকে এবং খাওয়ার সময় জিভ বা গলায় অস্বস্তি হতে পারে। তাই আম কেনার সময় কেবল উজ্জ্বল রঙ দেখে আকৃষ্ট না হয়ে গঠন ও স্বাভাবিকত্ব যাচাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন