ঢাকা নিউজ

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতে চীনের আকাশে উড়ছে ‘উইন্ড টারবাইন’



বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতে চীনের আকাশে উড়ছে ‘উইন্ড টারবাইন’
ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ উৎপাদনের চিরাচরিত ধারণা বদলে দিতে চীন এবার আকাশে উড়িয়েছে বিশেষ ধরনের উড়ন্ত টারবাইন। ভূপৃষ্ঠের বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় এই প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ হবে প্রায় ১০ গুণ কম। উদ্ভাবকদের দাবি, এই ‘ফ্লাইং টারবাইন’ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব হবে।

সাধারণত বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো মাটিতে বিশাল পিলারের ওপর স্থাপন করা হয়, তবে নতুন এই প্রযুক্তিতে টারবাইনটি ড্রোনের মতো আকাশে ওড়ানো হয়। এটি এমন উচ্চতায় অবস্থান করে যেখানে বাতাসের গতিবেগ ও স্থায়িত্ব ভূপৃষ্ঠের চেয়ে অনেক বেশি। ফলে এটি থেকে স্থির বা কনস্ট্যান্ট পাওয়ার জেনারেট করা সম্ভব হচ্ছে।

উদ্ভাবকদের মতে, প্রচলিত উইন্ড মিল স্থাপনে বিশাল অবকাঠামো, জমি এবং রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ প্রচুর ব্যয় হয়। কিন্তু ফ্লাইং টারবাইনের ক্ষেত্রে বিশাল কোনো টাওয়ার বা পিলারের প্রয়োজন নেই এবং জমির ব্যবহারও অনেক কম। পরিবহন ও স্থাপন অত্যন্ত সহজ ও সাশ্রয়ী হওয়ায় এটি প্রচলিত বায়ুশক্তির চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে।

এই প্রকল্পের অন্যতম বিশেষত্ব হলো এর ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা। উচ্চাকাশে বায়ুপ্রবাহ যেহেতু সবসময় থাকে, তাই এই টারবাইনগুলো দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম, যা সাধারণ উইন্ড টারবাইন সবসময় করতে পারে না।

পরিবেশবিদরা এই প্রযুক্তিকে গ্রিন এনার্জির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। এটি কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং দুর্গম অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। গবেষকরা আশা করছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিপ্লব ঘটাতে চীনের আকাশে উড়ছে ‘উইন্ড টারবাইন’

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

বিদ্যুৎ উৎপাদনের চিরাচরিত ধারণা বদলে দিতে চীন এবার আকাশে উড়িয়েছে বিশেষ ধরনের উড়ন্ত টারবাইন। ভূপৃষ্ঠের বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় এই প্রযুক্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ হবে প্রায় ১০ গুণ কম। উদ্ভাবকদের দাবি, এই ‘ফ্লাইং টারবাইন’ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব হবে।

সাধারণত বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো মাটিতে বিশাল পিলারের ওপর স্থাপন করা হয়, তবে নতুন এই প্রযুক্তিতে টারবাইনটি ড্রোনের মতো আকাশে ওড়ানো হয়। এটি এমন উচ্চতায় অবস্থান করে যেখানে বাতাসের গতিবেগ ও স্থায়িত্ব ভূপৃষ্ঠের চেয়ে অনেক বেশি। ফলে এটি থেকে স্থির বা কনস্ট্যান্ট পাওয়ার জেনারেট করা সম্ভব হচ্ছে।

উদ্ভাবকদের মতে, প্রচলিত উইন্ড মিল স্থাপনে বিশাল অবকাঠামো, জমি এবং রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ প্রচুর ব্যয় হয়। কিন্তু ফ্লাইং টারবাইনের ক্ষেত্রে বিশাল কোনো টাওয়ার বা পিলারের প্রয়োজন নেই এবং জমির ব্যবহারও অনেক কম। পরিবহন ও স্থাপন অত্যন্ত সহজ ও সাশ্রয়ী হওয়ায় এটি প্রচলিত বায়ুশক্তির চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ কম খরচে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে।

এই প্রকল্পের অন্যতম বিশেষত্ব হলো এর ১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা। উচ্চাকাশে বায়ুপ্রবাহ যেহেতু সবসময় থাকে, তাই এই টারবাইনগুলো দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম, যা সাধারণ উইন্ড টারবাইন সবসময় করতে পারে না।

পরিবেশবিদরা এই প্রযুক্তিকে গ্রিন এনার্জির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। এটি কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং দুর্গম অঞ্চলে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। গবেষকরা আশা করছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রযুক্তি বাণিজ্যিকভাবে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ