পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময় জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট এবং সুন্দরবন সংরক্ষণে সহযোগিতা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। সাক্ষাৎকালে পরিবেশমন্ত্রী ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হচ্ছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ। এ লক্ষ্যে বায়ু, পানি ও বর্জ্য দূষণ হ্রাসে সরকার বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে সাভারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া কার্বন মার্কেট থেকে অর্জিত অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ব্যবহারের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী। সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনার বাংলাদেশের পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে চলমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষই দুই দেশের দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুসংহত করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পরিবেশ সংরক্ষণ, টেকসই উন্নয়ন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এ সময় জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট এবং সুন্দরবন সংরক্ষণে সহযোগিতা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। সাক্ষাৎকালে পরিবেশমন্ত্রী ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হচ্ছে দূষণ নিয়ন্ত্রণ। এ লক্ষ্যে বায়ু, পানি ও বর্জ্য দূষণ হ্রাসে সরকার বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে সাভারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া কার্বন মার্কেট থেকে অর্জিত অর্থ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ব্যবহারের লক্ষ্যে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী। সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে প্রশিক্ষণ ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনার বাংলাদেশের পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে চলমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষই দুই দেশের দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুসংহত করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন