আধুনিক হিমাগার বা কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ছাড়াই এক হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে ছয় মাস পর্যন্ত আঙুর সতেজ রাখছেন আফগানিস্তানের মানুষ। দেশটির রাজধানী কাবুলের উত্তর উপকণ্ঠের কালাকান জেলার বাসিন্দারা আজও ‘কানগানা’ নামক এই বিশেষ কৌশলে ফল সংরক্ষণ করে আসছেন। এটি মূলত কাদা ও খড় মিশিয়ে তৈরি করা একটি বাটির মতো পাত্র, যা রোদে শুকিয়ে শক্ত করা হয়। এর ভেতর আঙুর রেখে মুখটি কাদা দিয়ে সম্পূর্ণ সিল বা বায়ুরোধী করে শীতল ও শুষ্ক স্থানে রাখা হয়। অক্টোবর মাসে এই পদ্ধতিতে আঙুর সংরক্ষণ করলে পরবর্তী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত তা সম্পূর্ণ সতেজ ও রসালো থাকে। মূলত ‘তাইফি’ জাতের আঙুর এই পদ্ধতির জন্য সবচেয়ে উপযোগী, কারণ এর আকার বড় এবং খোসা বেশ পুরু হয়। কানগানা পদ্ধতিতে সংরক্ষিত আঙুরের স্বাদ নিতে দেশটির দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসেন। গ্রামীণ এই কৌশলটি কেবল একটি সংরক্ষণের উপায় নয়, বরং এটি আফগান জনপদের টিকে থাকার একটি আদিম ও মৌলিক সাংস্কৃতিক ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত। বাজারের বিক্রেতারা গত কয়েক দশক ধরে এই পদ্ধতিতে আঙুর বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এক কেজি আঙুর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একেকটি কানগানা পাত্র বাজারে বেশ জনপ্রিয়। যদিও অতীতে আপেল বা মরিচ এই উপায়ে রাখা হতো, তবে বর্তমানে মূলত শীতকালে আঙুরের স্বাদ অটুট রাখতেই কানগানা ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিক এই ব্যবস্থা কোনো খরচ ছাড়াই ফলের গুণমান ও স্বাদ দীর্ঘকাল বজায় রাখতে সক্ষম। গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. আশফাক জানিয়েছেন, নিহত নারীর বাবা শাহাদাত মোল্লা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় শোক ও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
আধুনিক হিমাগার বা কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ছাড়াই এক হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে ছয় মাস পর্যন্ত আঙুর সতেজ রাখছেন আফগানিস্তানের মানুষ। দেশটির রাজধানী কাবুলের উত্তর উপকণ্ঠের কালাকান জেলার বাসিন্দারা আজও ‘কানগানা’ নামক এই বিশেষ কৌশলে ফল সংরক্ষণ করে আসছেন। এটি মূলত কাদা ও খড় মিশিয়ে তৈরি করা একটি বাটির মতো পাত্র, যা রোদে শুকিয়ে শক্ত করা হয়। এর ভেতর আঙুর রেখে মুখটি কাদা দিয়ে সম্পূর্ণ সিল বা বায়ুরোধী করে শীতল ও শুষ্ক স্থানে রাখা হয়। অক্টোবর মাসে এই পদ্ধতিতে আঙুর সংরক্ষণ করলে পরবর্তী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত তা সম্পূর্ণ সতেজ ও রসালো থাকে। মূলত ‘তাইফি’ জাতের আঙুর এই পদ্ধতির জন্য সবচেয়ে উপযোগী, কারণ এর আকার বড় এবং খোসা বেশ পুরু হয়। কানগানা পদ্ধতিতে সংরক্ষিত আঙুরের স্বাদ নিতে দেশটির দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসেন। গ্রামীণ এই কৌশলটি কেবল একটি সংরক্ষণের উপায় নয়, বরং এটি আফগান জনপদের টিকে থাকার একটি আদিম ও মৌলিক সাংস্কৃতিক ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত। বাজারের বিক্রেতারা গত কয়েক দশক ধরে এই পদ্ধতিতে আঙুর বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এক কেজি আঙুর ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একেকটি কানগানা পাত্র বাজারে বেশ জনপ্রিয়। যদিও অতীতে আপেল বা মরিচ এই উপায়ে রাখা হতো, তবে বর্তমানে মূলত শীতকালে আঙুরের স্বাদ অটুট রাখতেই কানগানা ব্যবহৃত হয়। প্রাকৃতিক এই ব্যবস্থা কোনো খরচ ছাড়াই ফলের গুণমান ও স্বাদ দীর্ঘকাল বজায় রাখতে সক্ষম। গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. আশফাক জানিয়েছেন, নিহত নারীর বাবা শাহাদাত মোল্লা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তার এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে পুরো এলাকায় শোক ও চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন