ঢাকা নিউজ

ফতুল্লায় গার্মেন্টস কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ



ফতুল্লায় গার্মেন্টস কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
ছবি : সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ফারিহা নিট টেক্স নামক একটি পোশাক কারখানার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) ইদ্রিস আলীর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এনায়েতনগর ইউনিয়নের বারৈয়ভোগ এলাকায় অবস্থিত কারখানাটিতে এই ঘটনা ঘটে। সহকর্মীর মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে সকাল থেকেই শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করলে মালিকপক্ষ কারখানা ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

নিহত ইদ্রিস আলী সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদী গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। কারখানার শ্রমিকদের অভিযোগ, স্টোরকিপারের দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন কর্মকর্তা দুর্নীতির জন্য ইদ্রিস আলীকে চাপের মুখে রাখতেন। তাঁদের ধারণা, অফিশিয়াল সুবিধা হাসিল করতেই তাঁকে হত্যার পর পাইপের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তারও বিষয়টিকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে জানান, তিনটি সন্তান নিয়ে তাঁদের সুখের সংসারে আত্মহত্যার কোনো কারণ ছিল না।

কারখানার চেয়ারম্যান ফেরদৌস ভুঁইয়া মামুন আত্মহত্যার সপক্ষে যুক্তি দিয়ে জানান, পারিবারিক কলহ ও ধারদেনার কারণে ইদ্রিস আলী এমন পথ বেছে নিতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন, নিহতের স্ত্রীর টিকটক করা নিয়ে পরিবারে অসন্তোষ ছিল। তবে পুলিশ এই মৃত্যুকে ঘিরে শ্রমিক ও পরিবারের করা সব অভিযোগ গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানিয়েছেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


ফতুল্লায় গার্মেন্টস কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ফারিহা নিট টেক্স নামক একটি পোশাক কারখানার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) ইদ্রিস আলীর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এনায়েতনগর ইউনিয়নের বারৈয়ভোগ এলাকায় অবস্থিত কারখানাটিতে এই ঘটনা ঘটে। সহকর্মীর মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে সকাল থেকেই শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করলে মালিকপক্ষ কারখানা ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

নিহত ইদ্রিস আলী সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদী গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। কারখানার শ্রমিকদের অভিযোগ, স্টোরকিপারের দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন কর্মকর্তা দুর্নীতির জন্য ইদ্রিস আলীকে চাপের মুখে রাখতেন। তাঁদের ধারণা, অফিশিয়াল সুবিধা হাসিল করতেই তাঁকে হত্যার পর পাইপের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তারও বিষয়টিকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে জানান, তিনটি সন্তান নিয়ে তাঁদের সুখের সংসারে আত্মহত্যার কোনো কারণ ছিল না।

কারখানার চেয়ারম্যান ফেরদৌস ভুঁইয়া মামুন আত্মহত্যার সপক্ষে যুক্তি দিয়ে জানান, পারিবারিক কলহ ও ধারদেনার কারণে ইদ্রিস আলী এমন পথ বেছে নিতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন, নিহতের স্ত্রীর টিকটক করা নিয়ে পরিবারে অসন্তোষ ছিল। তবে পুলিশ এই মৃত্যুকে ঘিরে শ্রমিক ও পরিবারের করা সব অভিযোগ গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানিয়েছেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ