পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর জননিরাপত্তা ও সুষ্ঠু যানবাহন চলাচলের স্বার্থে রাস্তায় নামাজসহ সব ধরনের ধর্মীয় উপাসনা ও জমায়েত বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। সোমবার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশ ও জেলাশাসকদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্বাহী আদেশ দেন। বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং জানিয়েছেন, এখন থেকে রাস্তায় কোনো প্রকার ধর্মীয় প্রার্থনা বরদাশত করা হবে না; তবে মসজিদে নামাজ আদায়ে কোনো বাধা নেই।
রাজ্য পুলিশের এক পদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারের এই আদেশে নির্দিষ্টভাবে কোনো ধর্মের নাম উল্লেখ করা হয়নি, বরং রাস্তা আটকে যেকোনো ধর্মীয় উপাসনার ক্ষেত্রেই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে দুর্গাপূজা বা ঈদের মতো বড় উৎসবগুলোতে আগের মতো যথাযথ আবেদনের ভিত্তিতে বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে অস্থায়ী মণ্ডপ বা জমায়েতের সুযোগ থাকছে। এছাড়া শব্দদূষণ রোধে মাইকের শব্দের সর্বোচ্চ সীমা ৬৫ ডেসিবেল কঠোরভাবে বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কলকাতা বিমানবন্দরের রানওয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নকারী মসজিদটিকে ‘সসম্মানে’ অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি গরু পাচার, চোরাকারবার এবং পুলিশের ওপর হামলার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিখ সম্প্রদায় ছাড়া সবার জন্য হেলমেট পরিধান বাধ্যতামূলক করার বিষয়েও পুলিশকে সতর্ক করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে রাস্তা আটকে উৎসব পালনের দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি থাকলেও জনদুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের এই অবস্থান মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। অল ইন্ডিয়া হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন শব্দ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতার নির্দেশিকাকে স্বাগত জানালেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হবে না বলে আশা প্রকাশ করেছে। মূলত আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রানওয়ের উপযোগিতা নিশ্চিত করতেই এই প্রশাসনিক রদবদল আনা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর জননিরাপত্তা ও সুষ্ঠু যানবাহন চলাচলের স্বার্থে রাস্তায় নামাজসহ সব ধরনের ধর্মীয় উপাসনা ও জমায়েত বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। সোমবার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশ ও জেলাশাসকদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্বাহী আদেশ দেন। বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং জানিয়েছেন, এখন থেকে রাস্তায় কোনো প্রকার ধর্মীয় প্রার্থনা বরদাশত করা হবে না; তবে মসজিদে নামাজ আদায়ে কোনো বাধা নেই।
রাজ্য পুলিশের এক পদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারের এই আদেশে নির্দিষ্টভাবে কোনো ধর্মের নাম উল্লেখ করা হয়নি, বরং রাস্তা আটকে যেকোনো ধর্মীয় উপাসনার ক্ষেত্রেই কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে দুর্গাপূজা বা ঈদের মতো বড় উৎসবগুলোতে আগের মতো যথাযথ আবেদনের ভিত্তিতে বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে অস্থায়ী মণ্ডপ বা জমায়েতের সুযোগ থাকছে। এছাড়া শব্দদূষণ রোধে মাইকের শব্দের সর্বোচ্চ সীমা ৬৫ ডেসিবেল কঠোরভাবে বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কলকাতা বিমানবন্দরের রানওয়ের নিরাপত্তা বিঘ্নকারী মসজিদটিকে ‘সসম্মানে’ অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি গরু পাচার, চোরাকারবার এবং পুলিশের ওপর হামলার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিখ সম্প্রদায় ছাড়া সবার জন্য হেলমেট পরিধান বাধ্যতামূলক করার বিষয়েও পুলিশকে সতর্ক করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে রাস্তা আটকে উৎসব পালনের দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি থাকলেও জনদুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের এই অবস্থান মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। অল ইন্ডিয়া হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন শব্দ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতার নির্দেশিকাকে স্বাগত জানালেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হবে না বলে আশা প্রকাশ করেছে। মূলত আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রানওয়ের উপযোগিতা নিশ্চিত করতেই এই প্রশাসনিক রদবদল আনা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন