মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন যে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে। এরপরও একটি মহল এই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সোমবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের দেখতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, সরকার এই সনদ বাস্তবায়নে এবং আহতদের কল্যাণে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিদেশে চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের সার্বিক খোঁজখবর রাখছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং তাদের চিকিৎসাসহ যাবতীয় ব্যয় সরকার বহন করছে। থাইল্যান্ডের পাশাপাশি রাশিয়া, সিঙ্গাপুর ও তুরস্কে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো ১৫২ জন যোদ্ধার মধ্যে ৯২ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেছেন। বর্তমানে আরও ৬০ জন বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং মন্ত্রণালয় নিয়মিত তাদের তত্ত্বাবধান করছে।
আন্দোলনের আদর্শ সংরক্ষণ এবং শহীদ পরিবার ও আহতদের কল্যাণ নিশ্চিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বর্তমানে এমআইএসভুক্ত জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৬৯ জন এবং শহীদের সংখ্যা ৮৪৪ জন। এই অধিদপ্তর প্রকৃত যোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই, তালিকা প্রণয়ন এবং গেজেট প্রকাশের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া যোদ্ধাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এক হাজার ৯৩৭ জনকে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শহীদ ও আহতদের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, শহীদ পরিবারগুলোকে এককালীন ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের আঘাতের ধরন অনুযায়ী এককালীন সর্বোচ্চ ৫ লাখ থেকে সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং শারীরিক অবস্থাভেদে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসা ও সম্মান নিশ্চিত করাকে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন যে জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে। এরপরও একটি মহল এই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সোমবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চিকিৎসাধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের দেখতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, সরকার এই সনদ বাস্তবায়নে এবং আহতদের কল্যাণে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিদেশে চিকিৎসাধীন জুলাই যোদ্ধাদের সার্বিক খোঁজখবর রাখছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং তাদের চিকিৎসাসহ যাবতীয় ব্যয় সরকার বহন করছে। থাইল্যান্ডের পাশাপাশি রাশিয়া, সিঙ্গাপুর ও তুরস্কে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো ১৫২ জন যোদ্ধার মধ্যে ৯২ জন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেছেন। বর্তমানে আরও ৬০ জন বিদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং মন্ত্রণালয় নিয়মিত তাদের তত্ত্বাবধান করছে।
আন্দোলনের আদর্শ সংরক্ষণ এবং শহীদ পরিবার ও আহতদের কল্যাণ নিশ্চিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বর্তমানে এমআইএসভুক্ত জুলাই যোদ্ধার সংখ্যা ১৪ হাজার ৩৬৯ জন এবং শহীদের সংখ্যা ৮৪৪ জন। এই অধিদপ্তর প্রকৃত যোদ্ধাদের যাচাই-বাছাই, তালিকা প্রণয়ন এবং গেজেট প্রকাশের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়া যোদ্ধাদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে এক হাজার ৯৩৭ জনকে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
শহীদ ও আহতদের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, শহীদ পরিবারগুলোকে এককালীন ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের আঘাতের ধরন অনুযায়ী এককালীন সর্বোচ্চ ৫ লাখ থেকে সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র এবং শারীরিক অবস্থাভেদে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসা ও সম্মান নিশ্চিত করাকে মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন