গাজীপুরের টঙ্গীর আমতলী এলাকায় জাবান হোটেল অ্যান্ড বারে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে সংঘটিত এই হামলায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণে হোটেলের দুই কর্মচারী, একজন এলাকাবাসী এবং তিন কিশোর গ্যাং সদস্যসহ মোট ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী দারুল, কর্মচারী রাসেল ও এলাকাবাসী শ্যামল এবং কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ, জাকির ও সানি।
হোটেল সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে হোটেল বন্ধের সময় তিন ব্যক্তি জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের ডাকে টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর এলাকার কিশোর গ্যাং লিডার সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী এসে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা বেশ কয়েকটি ককটেলসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটালে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাকর্মীরা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে কিশোর গ্যাং সদস্যদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হোটেল কর্মচারী রাসেল এবং ককটেলের আঘাতে এলাকাবাসী শ্যামল আহত হন। অন্যদিকে এলাকাবাসী ও হোটেল কর্মচারীদের পিটুনিতে টঙ্গীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ভাদাইম্মা সবুজ, তার সহযোগী জাকির ও উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি গুরুতর আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভাদাইম্মা সবুজ ও জাকিরকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হোটেলের মালিক সায়মন খান জানিয়েছেন, কিশোর গ্যাং সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও ঘটনাস্থলে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীর আমতলী এলাকায় জাবান হোটেল অ্যান্ড বারে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে সংঘটিত এই হামলায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণে হোটেলের দুই কর্মচারী, একজন এলাকাবাসী এবং তিন কিশোর গ্যাং সদস্যসহ মোট ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী দারুল, কর্মচারী রাসেল ও এলাকাবাসী শ্যামল এবং কিশোর গ্যাং লিডার ভাদাইম্মা সবুজ, জাকির ও সানি।
হোটেল সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে হোটেল বন্ধের সময় তিন ব্যক্তি জোরপূর্বক প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের ডাকে টঙ্গী পূর্ব আরিচপুর এলাকার কিশোর গ্যাং লিডার সবুজের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী এসে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা বেশ কয়েকটি ককটেলসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটালে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাকর্মীরা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে কিশোর গ্যাং সদস্যদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হোটেল কর্মচারী রাসেল এবং ককটেলের আঘাতে এলাকাবাসী শ্যামল আহত হন। অন্যদিকে এলাকাবাসী ও হোটেল কর্মচারীদের পিটুনিতে টঙ্গীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ভাদাইম্মা সবুজ, তার সহযোগী জাকির ও উত্তরার কিশোর গ্যাং লিডার সানি গুরুতর আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভাদাইম্মা সবুজ ও জাকিরকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হোটেলের মালিক সায়মন খান জানিয়েছেন, কিশোর গ্যাং সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও ঘটনাস্থলে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন