আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চাঁদপুরের একটি খামারের বিশাল আকৃতির দুটি গরু ‘রাজাবাবু’ ও ‘হামানকর্দ্দির কিং’ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের নাছির বেপারীর খামারে এই গরু দুটি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। রাজাবাবুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ ফুট ১০ ইঞ্চি এবং হামানকর্দ্দির কিং-এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ ফুট ৭ ইঞ্চি।
ক্রস প্রিজিয়াম জাতের এই গরু দুটিকে গত পাঁচ বছর ধরে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে। খামার সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ বা মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়ার সাহায্য ছাড়াই দেশীয় ঘাস, লতা-পাতা, খৈল ও ভুষি খাইয়ে এদের বড় করা হয়েছে। রাজাবাবুর বয়স বর্তমানে ৪ বছর এবং হামানকর্দ্দির কিং-এর বয়স ৫ বছর।
গরু দুটির পরিচর্যাকারী শাহিন আলম জানান, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সঠিক পুষ্টির কারণে এদের গঠন ও স্বাস্থ্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। হাটে তোলার আগেই যদি কোনো ক্রেতা আগ্রহী হন, তবে সরাসরি খামার থেকেই গরু দুটি বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে মালিকপক্ষের। ইতিমধ্যে অনেক ক্রেতা সরাসরি খামারে এসে গরু দুটি দেখে দাম যাচাই করছেন।
খামার মালিক গরু দুটির সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণ করেছেন ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা। তবে প্রকৃত ক্রেতাদের ক্ষেত্রে আলোচনা সাপেক্ষে কিছুটা নমনীয় হওয়ার সুযোগ রয়েছে। দৃষ্টিনন্দন ও বিশাল দেহের এই গরু দুটি এবারের কুরবানির বাজারে বিশেষ আকর্ষণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চাঁদপুরের একটি খামারের বিশাল আকৃতির দুটি গরু ‘রাজাবাবু’ ও ‘হামানকর্দ্দির কিং’ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের নাছির বেপারীর খামারে এই গরু দুটি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। রাজাবাবুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ ফুট ১০ ইঞ্চি এবং হামানকর্দ্দির কিং-এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ ফুট ৭ ইঞ্চি।
ক্রস প্রিজিয়াম জাতের এই গরু দুটিকে গত পাঁচ বছর ধরে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে। খামার সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ বা মোটাতাজাকরণ প্রক্রিয়ার সাহায্য ছাড়াই দেশীয় ঘাস, লতা-পাতা, খৈল ও ভুষি খাইয়ে এদের বড় করা হয়েছে। রাজাবাবুর বয়স বর্তমানে ৪ বছর এবং হামানকর্দ্দির কিং-এর বয়স ৫ বছর।
গরু দুটির পরিচর্যাকারী শাহিন আলম জানান, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সঠিক পুষ্টির কারণে এদের গঠন ও স্বাস্থ্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। হাটে তোলার আগেই যদি কোনো ক্রেতা আগ্রহী হন, তবে সরাসরি খামার থেকেই গরু দুটি বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে মালিকপক্ষের। ইতিমধ্যে অনেক ক্রেতা সরাসরি খামারে এসে গরু দুটি দেখে দাম যাচাই করছেন।
খামার মালিক গরু দুটির সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণ করেছেন ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা। তবে প্রকৃত ক্রেতাদের ক্ষেত্রে আলোচনা সাপেক্ষে কিছুটা নমনীয় হওয়ার সুযোগ রয়েছে। দৃষ্টিনন্দন ও বিশাল দেহের এই গরু দুটি এবারের কুরবানির বাজারে বিশেষ আকর্ষণ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন