যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বেইজিংয়ে দুই দিনের বৈঠক শেষ করার কয়েক ঘণ্টা পরই তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা না করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। শনিবার (১৬ মে) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট জানান যে, তিনি চান না কেউ স্বাধীনতা ঘোষণা করুক।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক সম্পর্ক ও আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র সহায়তা বজায় রাখলেও আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষায় এক চীন নীতি মেনে চলে। তবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে বলেছেন, তাইওয়ানকে আলাদা করে স্বাধীনতা ঘোষণা করার প্রয়োজন নেই, কারণ তারা ইতিমধ্যেই নিজেদের একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে দেখে। ট্রাম্প জানান, তিনি দূর দেশে গিয়ে কোনো যুদ্ধ করতে চান না এবং চীন ও তাইওয়ান উভয় পক্ষই যেন উত্তেজনা কমিয়ে আনে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাইওয়ান ইস্যুতে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং চীন এই অঞ্চলটিকে নিজেদের অংশ দাবি করে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের কথাও অস্বীকার করেনি। এদিকে তাইওয়ানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বড় অঙ্কের অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা থাকলেও ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এই চুক্তি অনুমোদন করবেন কি না তা পরে সিদ্ধান্ত নেবেন। অপরদিকে তাইওয়ান উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বেইজিংয়ে দুই দিনের বৈঠক শেষ করার কয়েক ঘণ্টা পরই তাইওয়ানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা না করার বিষয়ে সতর্ক করেছেন। শনিবার (১৬ মে) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট জানান যে, তিনি চান না কেউ স্বাধীনতা ঘোষণা করুক।
যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ানের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক সম্পর্ক ও আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র সহায়তা বজায় রাখলেও আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে না এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষায় এক চীন নীতি মেনে চলে। তবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে বলেছেন, তাইওয়ানকে আলাদা করে স্বাধীনতা ঘোষণা করার প্রয়োজন নেই, কারণ তারা ইতিমধ্যেই নিজেদের একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে দেখে। ট্রাম্প জানান, তিনি দূর দেশে গিয়ে কোনো যুদ্ধ করতে চান না এবং চীন ও তাইওয়ান উভয় পক্ষই যেন উত্তেজনা কমিয়ে আনে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাইওয়ান ইস্যুতে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং চীন এই অঞ্চলটিকে নিজেদের অংশ দাবি করে প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের কথাও অস্বীকার করেনি। এদিকে তাইওয়ানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বড় অঙ্কের অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনা থাকলেও ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এই চুক্তি অনুমোদন করবেন কি না তা পরে সিদ্ধান্ত নেবেন। অপরদিকে তাইওয়ান উল্লেখ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন