যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক অঙ্গরাজ্যের গ্যাস স্টেশনগুলোতে জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকের পরিমাণ পর্যবেক্ষণকারী সিস্টেমে (অটোমেটিক ট্যাংক গেজ বা এটিজি) সাইবার অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। পাসওয়ার্ডবিহীন এই অনলাইন সিস্টেমে প্রবেশ করে হ্যাকাররা কিছু ক্ষেত্রে ট্যাংকের ডিসপ্লেতে দেখানো তথ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম হলেও প্রকৃত জ্বালানির পরিমাণে কোনো পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। এই ঘটনায় কোনো শারীরিক ক্ষতি বা দুর্ঘটনা না ঘটলেও মার্কিন কর্মকর্তারা এর পেছনে ইরানি হ্যাকারদের জড়িত থাকার তীব্র সন্দেহ করছেন বলে সিএনএন-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এ ধরনের সিস্টেমে প্রবেশাধিকার পেলে হ্যাকাররা তাত্ত্বিকভাবে গ্যাস লিকের তথ্য গোপন রাখতে পারে, যা বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অতীতেও গ্যাস ট্যাংক-সংক্রান্ত সিস্টেমে হামলার ইতিহাস থাকায় ইরানকে প্রধান সন্দেহভাজন মনে করা হচ্ছে, যদিও হ্যাকাররা খুব কম ডিজিটাল প্রমাণ রাখায় নির্দিষ্ট কোনো পক্ষকে শতভাগ দায়ী করা কঠিন হতে পারে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এই সাইবার হামলাটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবেও বেশ সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত ১৮ মাসে ইরানের সাইবার কার্যক্রম আরও দ্রুত, আক্রমণাত্মক ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালে মার্কিন পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় হামলার পর থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক তেল-গ্যাস, পানি সরবরাহ স্থাপনা এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্ট্রাইকারের শিপমেন্ট কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটিয়েছে তেহরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা। এমনকি এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেলের ব্যক্তিগত ইমেইল ফাঁসের ঘটনাও ঘটেছে। সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, রাশিয়া ও চীনের মতো ইরানও আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সহায়তা নিয়ে সস্তায় ব্যাপক তথ্যভিত্তিক সাইবার প্রভাব বিস্তারের অপারেশন চালাতে পারে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক অঙ্গরাজ্যের গ্যাস স্টেশনগুলোতে জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকের পরিমাণ পর্যবেক্ষণকারী সিস্টেমে (অটোমেটিক ট্যাংক গেজ বা এটিজি) সাইবার অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। পাসওয়ার্ডবিহীন এই অনলাইন সিস্টেমে প্রবেশ করে হ্যাকাররা কিছু ক্ষেত্রে ট্যাংকের ডিসপ্লেতে দেখানো তথ্য পরিবর্তন করতে সক্ষম হলেও প্রকৃত জ্বালানির পরিমাণে কোনো পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। এই ঘটনায় কোনো শারীরিক ক্ষতি বা দুর্ঘটনা না ঘটলেও মার্কিন কর্মকর্তারা এর পেছনে ইরানি হ্যাকারদের জড়িত থাকার তীব্র সন্দেহ করছেন বলে সিএনএন-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, এ ধরনের সিস্টেমে প্রবেশাধিকার পেলে হ্যাকাররা তাত্ত্বিকভাবে গ্যাস লিকের তথ্য গোপন রাখতে পারে, যা বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অতীতেও গ্যাস ট্যাংক-সংক্রান্ত সিস্টেমে হামলার ইতিহাস থাকায় ইরানকে প্রধান সন্দেহভাজন মনে করা হচ্ছে, যদিও হ্যাকাররা খুব কম ডিজিটাল প্রমাণ রাখায় নির্দিষ্ট কোনো পক্ষকে শতভাগ দায়ী করা কঠিন হতে পারে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় এই সাইবার হামলাটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবেও বেশ সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত ১৮ মাসে ইরানের সাইবার কার্যক্রম আরও দ্রুত, আক্রমণাত্মক ও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালে মার্কিন পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় হামলার পর থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক তেল-গ্যাস, পানি সরবরাহ স্থাপনা এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্ট্রাইকারের শিপমেন্ট কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটিয়েছে তেহরান-সংশ্লিষ্ট হ্যাকাররা। এমনকি এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেলের ব্যক্তিগত ইমেইল ফাঁসের ঘটনাও ঘটেছে। সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, রাশিয়া ও চীনের মতো ইরানও আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সহায়তা নিয়ে সস্তায় ব্যাপক তথ্যভিত্তিক সাইবার প্রভাব বিস্তারের অপারেশন চালাতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন