হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত খসড়া প্রস্তাবে সহ-স্পন্সর হওয়া দেশগুলোকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে ইরান। দেশটির জাতিসংঘ মিশন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি এই অঞ্চলে নতুন করে কোনো সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে, তাহলে প্রস্তাব সমর্থনকারী দেশগুলোকেও এর সম্পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হবে। শনিবার (১৬ মে) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইরান তীব্র অভিযোগ করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বেআইনি কর্মকাণ্ড ও সামরিক আগ্রাসনের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থনের একটি 'মিথ্যা চিত্র' তৈরি করতে সহযোগী দেশগুলোর নাম ব্যবহার করছে। বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে উদ্দেশ্য করে আরও বলা হয়, কোনো ধরনের রাজনৈতিক অজুহাত বা কূটনৈতিক আড়াল তাদের এই কাজের দায়মুক্তি দিতে পারবে না।
উল্লেখ্য, মূলত যুক্তরাষ্ট্র, বাহরাইন ও কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের যৌথ সমর্থনে জাতিসংঘে এই খসড়া প্রস্তাবটি আনা হয়েছে। এই বিতর্কিত প্রস্তাবে ইরানের চলমান সামরিক হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে এবং একই সাথে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উপসাগরীয় জলসীমায় সব দেশের নৌ চলাচলের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত খসড়া প্রস্তাবে সহ-স্পন্সর হওয়া দেশগুলোকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে ইরান। দেশটির জাতিসংঘ মিশন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি এই অঞ্চলে নতুন করে কোনো সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি করে, তাহলে প্রস্তাব সমর্থনকারী দেশগুলোকেও এর সম্পূর্ণ দায়ভার বহন করতে হবে। শনিবার (১৬ মে) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ইরান তীব্র অভিযোগ করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বেআইনি কর্মকাণ্ড ও সামরিক আগ্রাসনের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থনের একটি 'মিথ্যা চিত্র' তৈরি করতে সহযোগী দেশগুলোর নাম ব্যবহার করছে। বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে উদ্দেশ্য করে আরও বলা হয়, কোনো ধরনের রাজনৈতিক অজুহাত বা কূটনৈতিক আড়াল তাদের এই কাজের দায়মুক্তি দিতে পারবে না।
উল্লেখ্য, মূলত যুক্তরাষ্ট্র, বাহরাইন ও কয়েকটি উপসাগরীয় দেশের যৌথ সমর্থনে জাতিসংঘে এই খসড়া প্রস্তাবটি আনা হয়েছে। এই বিতর্কিত প্রস্তাবে ইরানের চলমান সামরিক হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে এবং একই সাথে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ উপসাগরীয় জলসীমায় সব দেশের নৌ চলাচলের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন