ভূরাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংগঠনটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এখন থেকে এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে যেকোনো ধরনের নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের সামরিক বাহিনী এবং আইআরজিসির সঙ্গে পূর্ব সমন্বয় করা বাধ্যতামূলক।
হরমুজ দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলীয় রেড বিচ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলে ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। আইআরজিসির নৌবাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্বের পরিধি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছে, প্রণালিটি এখন সম্পূর্ণরূপে তাদের সামরিক নজরদারিতে রয়েছে।
নতুন এই নিয়মের আওতায় শত্রুভাবাপন্ন বা প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর কোনো সামরিক জাহাজ বা নৌযানকে এই প্রণালি দিয়ে একেবারেই চলাচল করতে দেওয়া হবে না। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর বাণিজ্যিক ও সাধারণ নৌযানগুলো আগের মতোই এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে।
এদিকে গত দুই-তিন দিনে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচলের সংখ্যায় কিছুটা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছিল, যার মধ্যে বিশেষ করে চীনা কোম্পানিগুলোর প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। তবে আল-জাজিরার সূত্রমতে, আইআরজিসির এই নতুন কঠোর অবস্থানের পর গত ২৪ ঘণ্টায় এই প্রণালি দিয়ে অন্য কোনো জাহাজের যাতায়াতের খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
ভূরাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সংগঠনটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এখন থেকে এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে যেকোনো ধরনের নৌযান চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের সামরিক বাহিনী এবং আইআরজিসির সঙ্গে পূর্ব সমন্বয় করা বাধ্যতামূলক।
হরমুজ দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলীয় রেড বিচ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলে ইতোমধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। আইআরজিসির নৌবাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্বের পরিধি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছে, প্রণালিটি এখন সম্পূর্ণরূপে তাদের সামরিক নজরদারিতে রয়েছে।
নতুন এই নিয়মের আওতায় শত্রুভাবাপন্ন বা প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর কোনো সামরিক জাহাজ বা নৌযানকে এই প্রণালি দিয়ে একেবারেই চলাচল করতে দেওয়া হবে না। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর বাণিজ্যিক ও সাধারণ নৌযানগুলো আগের মতোই এই জলপথ ব্যবহার করতে পারবে।
এদিকে গত দুই-তিন দিনে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচলের সংখ্যায় কিছুটা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছিল, যার মধ্যে বিশেষ করে চীনা কোম্পানিগুলোর প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি জাহাজ এই পথ অতিক্রম করেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। তবে আল-জাজিরার সূত্রমতে, আইআরজিসির এই নতুন কঠোর অবস্থানের পর গত ২৪ ঘণ্টায় এই প্রণালি দিয়ে অন্য কোনো জাহাজের যাতায়াতের খবর পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন