ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় থালাপতি ও তার দল তামিলগা ভেট্ট্রি কাজাগম (টিভিকে) নেতৃত্বাধীন নবগঠিত জোট সরকারের কড়া সমালোচনা করে এটি ছয় মাসও টিকবে না বলে দাবি করেছেন দ্রাবিড়া মুন্নেত্র কাজাগম (ডিএমকে)-এর জ্যেষ্ঠ নেতা ও তিরুচেন্দুরের বিধায়ক অনিথা রাধাকৃষ্ণন। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (১৭ মে) দক্ষিণ তামিলনাড়ুতে এক দলীয় অনুষ্ঠানে রাধাকৃষ্ণন শাসক দলের জ্যেষ্ঠ নেতা আধব অর্জুনকে ভিল্লিভাক্কম আসনের বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করে তিরুচেন্দুরে তার বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনে লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি দাবি করেন, এই সরকার বড়জোর আর মাত্র চার থেকে ছয় মাস টিকবে এবং তাদের নেতা এম কে স্ট্যালিনই আগামীতে পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হবেন।
অনিথা রাধাকৃষ্ণন গত ২৫ বছর ধরে তার শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত তিরুচেন্দুর আসনে ডিএমকের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং তিনি সাম্প্রতিক নির্বাচনে কোলাথুর আসনে পরাজিত হওয়া ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিনের পক্ষে কথা বলেন। কোলাথুর আসনে স্ট্যালিনকে পরাজিত করে জয়ী হওয়া সাবেক ডিএমকে নেতা ভি এস বাবু পরবর্তীতে বিজয়ের টিভিকে দলে যোগ দেন। রাধাকৃষ্ণন চান তাদের নেতা স্ট্যালিন যেন আগামীতে ত্রিচিতে নির্বাচন করেন। তবে এই মন্তব্য ও চ্যালেঞ্জের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের কার্যালয়, টিভিকে কিংবা আধব অর্জুনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টি আসনে জয় পেয়ে দীর্ঘ ৬২ বছরের ডিএমকে ও এআইএডিএমকের পালাক্রমে ক্ষমতায় আসার ধারা ভেঙে দেয় থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে মাত্র ১০টি আসন কম থাকায় পরবর্তীতে কংগ্রেস, দুটি বাম দল ও বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চির সমর্থনে সরকার গঠন করেন বিজয়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ১৪৪ ভোট পেয়ে সহজেই আস্থাভোটেও জয়ী হয় তার সরকার। তবে সরকার গঠনের পর থেকেই ডিএমকে বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এই জোট সরকারের সমালোচনা করে আসলেও ক্ষমতাসীন দল সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তাদের সরকার পুরোপুরি স্থিতিশীল বলে দাবি করেছে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় থালাপতি ও তার দল তামিলগা ভেট্ট্রি কাজাগম (টিভিকে) নেতৃত্বাধীন নবগঠিত জোট সরকারের কড়া সমালোচনা করে এটি ছয় মাসও টিকবে না বলে দাবি করেছেন দ্রাবিড়া মুন্নেত্র কাজাগম (ডিএমকে)-এর জ্যেষ্ঠ নেতা ও তিরুচেন্দুরের বিধায়ক অনিথা রাধাকৃষ্ণন। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার (১৭ মে) দক্ষিণ তামিলনাড়ুতে এক দলীয় অনুষ্ঠানে রাধাকৃষ্ণন শাসক দলের জ্যেষ্ঠ নেতা আধব অর্জুনকে ভিল্লিভাক্কম আসনের বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করে তিরুচেন্দুরে তার বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনে লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। তিনি দাবি করেন, এই সরকার বড়জোর আর মাত্র চার থেকে ছয় মাস টিকবে এবং তাদের নেতা এম কে স্ট্যালিনই আগামীতে পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হবেন।
অনিথা রাধাকৃষ্ণন গত ২৫ বছর ধরে তার শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত তিরুচেন্দুর আসনে ডিএমকের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং তিনি সাম্প্রতিক নির্বাচনে কোলাথুর আসনে পরাজিত হওয়া ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিনের পক্ষে কথা বলেন। কোলাথুর আসনে স্ট্যালিনকে পরাজিত করে জয়ী হওয়া সাবেক ডিএমকে নেতা ভি এস বাবু পরবর্তীতে বিজয়ের টিভিকে দলে যোগ দেন। রাধাকৃষ্ণন চান তাদের নেতা স্ট্যালিন যেন আগামীতে ত্রিচিতে নির্বাচন করেন। তবে এই মন্তব্য ও চ্যালেঞ্জের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের কার্যালয়, টিভিকে কিংবা আধব অর্জুনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টি আসনে জয় পেয়ে দীর্ঘ ৬২ বছরের ডিএমকে ও এআইএডিএমকের পালাক্রমে ক্ষমতায় আসার ধারা ভেঙে দেয় থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে মাত্র ১০টি আসন কম থাকায় পরবর্তীতে কংগ্রেস, দুটি বাম দল ও বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চির সমর্থনে সরকার গঠন করেন বিজয়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ১৪৪ ভোট পেয়ে সহজেই আস্থাভোটেও জয়ী হয় তার সরকার। তবে সরকার গঠনের পর থেকেই ডিএমকে বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এই জোট সরকারের সমালোচনা করে আসলেও ক্ষমতাসীন দল সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তাদের সরকার পুরোপুরি স্থিতিশীল বলে দাবি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন