ঢাকা নিউজ

বেলারুশে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া শুরু



বেলারুশে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া শুরু
ছবি : সংগৃহীত

নিজেদের ভূখণ্ডে রুশ পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন রাখা বেলারুশের সশস্ত্র বাহিনী এসব অস্ত্র রণক্ষেত্রে ব্যবহারের ওপর এক বিশেষ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। সোমবার (১৮ মে) বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই মহড়া শুরুর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন রাশিয়ার সহযোগিতায় পারমাণবিক গোলাবারুদ সরবরাহ এবং সেগুলো ব্যবহারের উপযোগী করে প্রস্তুত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মহড়ার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা ও প্রস্তুতি যাচাই করা হবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, মহড়াতে নিজেদের অবস্থান গোপন রাখা, দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম এবং সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহারের নিখুঁত হিসাব-নিকাশের অনুশীলনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, বেলারুশের সাথে রাশিয়া ও ইউক্রেন ছাড়াও ন্যাটোভুক্ত তিনটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার এক বছর পর ২০২৩ সালে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিজের দেশে মোতায়েন করতে রাজি হন। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই অস্ত্র ব্যবহারের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে একমাত্র মস্কোর হাতেই।

পুরো সংঘাতজুড়ে পুতিন বারবার রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন, যাকে পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে অতিরিক্ত সহায়তা করার বিরুদ্ধে একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছে। গত সপ্তাহে পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ তাদের নতুন ‘সারমাত’ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে এবং মস্কো তাদের পারমাণবিক বাহিনীকে আধুনিক করার কাজ অব্যাহত রাখবে।

তবে বেলারুশ দাবি করেছে, চলমান এই মহড়া অন্য কোনো রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে আয়োজন করা হয়নি এবং এটি এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য কোনো ধরনের হুমকি সৃষ্টি করবে না।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬


বেলারুশে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া শুরু

প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬

featured Image

নিজেদের ভূখণ্ডে রুশ পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন রাখা বেলারুশের সশস্ত্র বাহিনী এসব অস্ত্র রণক্ষেত্রে ব্যবহারের ওপর এক বিশেষ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। সোমবার (১৮ মে) বেলারুশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই মহড়া শুরুর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন রাশিয়ার সহযোগিতায় পারমাণবিক গোলাবারুদ সরবরাহ এবং সেগুলো ব্যবহারের উপযোগী করে প্রস্তুত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মহড়ার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা ও প্রস্তুতি যাচাই করা হবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, মহড়াতে নিজেদের অবস্থান গোপন রাখা, দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম এবং সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহারের নিখুঁত হিসাব-নিকাশের অনুশীলনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, বেলারুশের সাথে রাশিয়া ও ইউক্রেন ছাড়াও ন্যাটোভুক্ত তিনটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার এক বছর পর ২০২৩ সালে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র নিজের দেশে মোতায়েন করতে রাজি হন। তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই অস্ত্র ব্যবহারের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ থাকবে একমাত্র মস্কোর হাতেই।

পুরো সংঘাতজুড়ে পুতিন বারবার রাশিয়ার পারমাণবিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন, যাকে পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনকে অতিরিক্ত সহায়তা করার বিরুদ্ধে একটি বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছে। গত সপ্তাহে পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়া চলতি বছরের শেষ নাগাদ তাদের নতুন ‘সারমাত’ পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করবে এবং মস্কো তাদের পারমাণবিক বাহিনীকে আধুনিক করার কাজ অব্যাহত রাখবে।

তবে বেলারুশ দাবি করেছে, চলমান এই মহড়া অন্য কোনো রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে আয়োজন করা হয়নি এবং এটি এই অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য কোনো ধরনের হুমকি সৃষ্টি করবে না।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ