মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান দিয়াগো শহরের একটি মসজিদে বন্দুকধারীদের হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ মে) ‘ইসলামিক সেন্টার অব সান দিয়াগো’ (আইসিএসডি)-তে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সান দিয়াগো পুলিশের প্রধান স্কট ওয়াহল জানান, হামলার পর সন্দেহভাজন দুই তরুণ বন্দুকধারীকেও (আনুমানিক বয়স ১৭ ও ১৯ বছর) মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং তারা আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে একজন মসজিদের নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন, যিনি পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়া ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তবে ঠিক কী কারণে এই হামলা ঘটেছে, তা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।
মসজিদের ইমাম তাহা হাসানে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, উপাসনালয়কে লক্ষ্যবস্তু বানানো অত্যন্ত নিন্দনীয়। সান দিয়াগো শহরের মেয়র টড গ্লোরিয়া এবং ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন যে, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে এফবিআই কাজ শুরু করেছে। এই হামলার পর অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি)-সহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের মসজিদগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান দিয়াগো শহরের একটি মসজিদে বন্দুকধারীদের হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (১৮ মে) ‘ইসলামিক সেন্টার অব সান দিয়াগো’ (আইসিএসডি)-তে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সান দিয়াগো পুলিশের প্রধান স্কট ওয়াহল জানান, হামলার পর সন্দেহভাজন দুই তরুণ বন্দুকধারীকেও (আনুমানিক বয়স ১৭ ও ১৯ বছর) মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে এবং তারা আত্মহত্যা করে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে একজন মসজিদের নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন, যিনি পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়া ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তবে ঠিক কী কারণে এই হামলা ঘটেছে, তা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।
মসজিদের ইমাম তাহা হাসানে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, উপাসনালয়কে লক্ষ্যবস্তু বানানো অত্যন্ত নিন্দনীয়। সান দিয়াগো শহরের মেয়র টড গ্লোরিয়া এবং ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘটনাটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল জানিয়েছেন যে, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে এফবিআই কাজ শুরু করেছে। এই হামলার পর অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি)-সহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের মসজিদগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন