চলতি মৌসুমে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিমান ভাড়া ও আবাসন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পরও আরব বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের সরকার সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে হজের ব্যয় রাখার চেষ্টা করেছে, অন্যদিকে কিছু দেশে খরচ বেড়ে যাওয়ায় হজযাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, আলজেরীয় সরকার বিশেষ ভর্তুকি দিয়ে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখায় এবার প্রকৃত ব্যয় কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২০ হাজার দিনার বা ৬১৭৮ ডলারে, যার মধ্যে বিমান ভাড়া, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মরক্কোতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ ৬৮৭৮ ডলার নির্ধারণ করা হলেও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হোটেলের মান ও দূরত্বের ওপর নির্ভর করে প্যাকেজভেদে খরচ ৮ হাজার ১৮৯ ডলার থেকে ১৭ Styles হাজার ৪৬৯ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর এবার প্রথমবারের মতো আলেপ্পো বিমানবন্দর থেকে হজ ফ্লাইট চালু হওয়া সিরিয়ায় দেশীয় হজযাত্রীদের জন্য খরচ ৪৭৫০ ডলার এবং প্রবাসীদের জন্য ৪৯০০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
লেবাননে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট রুট পরিবর্তন এবং বিমা খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় হজের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে সাধারণ প্যাকেজের দাম এখন ৪৫০০ থেকে ৫৫০০ ডলারের মধ্যে দাঁড়িয়েছে। কাতারে হজ প্যাকেজে বড় ধরনের বৈচিত্র্য দেখা গেছে, যেখানে হারাম শরিফ থেকে দূরের হোটেলের প্যাকেজ ৬৩১৯ ডলার থেকে শুরু হলেও কাছাকাছি হোটেল ও বাড়তি সুবিধাসম্পন্ন প্যাকেজের খরচ বিশেষ ক্ষেত্রে ১ লাখ রিয়াল বা ২৭ হাজার ৪৭৩ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
জর্দানে হজের খরচ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে এবং সরকারিভাবে ব্যয় ৪৪২৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে এবার অনেক জর্দানীয় হাজি বিমানের পরিবর্তে স্থলপথে সৌদি আরব যাওয়ার দিকে ঝুঁকছেন। সৌদি আরবে বসবাসরত নাগরিকদের জন্য অভ্যন্তরীণ চারটি প্রধান হজ প্যাকেজের মূল্য নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে গত বছরের মতোই ২ হাজার ১৩৩ ডলার থেকে ৩ হাজার ৫০৭ ডলারের মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ওমানে বিমান ও হোটেল ভাড়া বৃদ্ধির কারণে বিমানে যাতায়াতসহ হজ প্যাকেজের মূল্য ৫৫৪৫ ডলার ধরা হলেও যারা বাস বা স্থলপথে যেতে চান তাদের জন্য খরচ তুলনামূলক কম অর্থাৎ ৩৪১২ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও অনেক দেশ সরকারি সহায়তা ও আগাম পরিকল্পনার মাধ্যমে হজের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছে, তবে লেবানন ও ওমানের মতো কিছু দেশে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সাধারণ হজযাত্রীদের মধ্যে বাড়তি দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
চলতি মৌসুমে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিমান ভাড়া ও আবাসন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পরও আরব বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের সরকার সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে হজের ব্যয় রাখার চেষ্টা করেছে, অন্যদিকে কিছু দেশে খরচ বেড়ে যাওয়ায় হজযাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, আলজেরীয় সরকার বিশেষ ভর্তুকি দিয়ে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখায় এবার প্রকৃত ব্যয় কমে দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ২০ হাজার দিনার বা ৬১৭৮ ডলারে, যার মধ্যে বিমান ভাড়া, থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মরক্কোতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের খরচ ৬৮৭৮ ডলার নির্ধারণ করা হলেও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হোটেলের মান ও দূরত্বের ওপর নির্ভর করে প্যাকেজভেদে খরচ ৮ হাজার ১৮৯ ডলার থেকে ১৭ Styles হাজার ৪৬৯ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর এবার প্রথমবারের মতো আলেপ্পো বিমানবন্দর থেকে হজ ফ্লাইট চালু হওয়া সিরিয়ায় দেশীয় হজযাত্রীদের জন্য খরচ ৪৭৫০ ডলার এবং প্রবাসীদের জন্য ৪৯০০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
লেবাননে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট রুট পরিবর্তন এবং বিমা খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় হজের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে সাধারণ প্যাকেজের দাম এখন ৪৫০০ থেকে ৫৫০০ ডলারের মধ্যে দাঁড়িয়েছে। কাতারে হজ প্যাকেজে বড় ধরনের বৈচিত্র্য দেখা গেছে, যেখানে হারাম শরিফ থেকে দূরের হোটেলের প্যাকেজ ৬৩১৯ ডলার থেকে শুরু হলেও কাছাকাছি হোটেল ও বাড়তি সুবিধাসম্পন্ন প্যাকেজের খরচ বিশেষ ক্ষেত্রে ১ লাখ রিয়াল বা ২৭ হাজার ৪৭৩ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
জর্দানে হজের খরচ তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে এবং সরকারিভাবে ব্যয় ৪৪২৮ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে এবার অনেক জর্দানীয় হাজি বিমানের পরিবর্তে স্থলপথে সৌদি আরব যাওয়ার দিকে ঝুঁকছেন। সৌদি আরবে বসবাসরত নাগরিকদের জন্য অভ্যন্তরীণ চারটি প্রধান হজ প্যাকেজের মূল্য নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে গত বছরের মতোই ২ হাজার ১৩৩ ডলার থেকে ৩ হাজার ৫০৭ ডলারের মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ওমানে বিমান ও হোটেল ভাড়া বৃদ্ধির কারণে বিমানে যাতায়াতসহ হজ প্যাকেজের মূল্য ৫৫৪৫ ডলার ধরা হলেও যারা বাস বা স্থলপথে যেতে চান তাদের জন্য খরচ তুলনামূলক কম অর্থাৎ ৩৪১২ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও অনেক দেশ সরকারি সহায়তা ও আগাম পরিকল্পনার মাধ্যমে হজের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছে, তবে লেবানন ও ওমানের মতো কিছু দেশে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সাধারণ হজযাত্রীদের মধ্যে বাড়তি দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন