তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই চিং-তে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে অপরের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এই ফোনালাপটি বাস্তবে রূপ নিলে তা চার দশকেরও বেশি সময়ের কূটনৈতিক প্রোটোকল ভেঙে দেবে এবং চীনের তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে বার্তা সংস্থা আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে।
বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে তিনি লাইয়ের সঙ্গে কথা বলবেন। এর আগে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর এটি ছিল ট্রাম্পের দ্বিতীয়বারের মতো এমন মন্তব্য, যা তাঁর আগের বক্তব্য কোনো ‘ভুলবশত মন্তব্য’ ছিল না তা পরিষ্কার করে। একই সময়ে হোয়াইট হাউস তাইওয়ানের জন্য প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রির প্যাকেজ বিবেচনা করছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে ওয়াশিংটন তাইওয়ান থেকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি সরিয়ে বেইজিংকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে সরাসরি কোনো যোগাযোগ হয়নি। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে এবং প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেনি। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তাইওয়ানের কাছে এই অস্ত্র বিক্রি চীনের সঙ্গে আলোচনায় একটি দরকষাকষির বিষয় হতে পারে।
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট লাই জানিয়েছেন তাইওয়ান প্রণালিতে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন যে চীনই মূলত এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাধা সৃষ্টি করছে। লাই আরও উল্লেখ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারলে তিনি খুশি হবেন।
আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের ‘তাইওয়ান রেগুলেশন অ্যাক্ট’ অনুযায়ী তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে ওয়াশিংটন আইনিভাবে বাধ্য। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং অস্ত্র ক্রয় নিয়ে তারা এখনও আশাবাদী। বর্তমানে তাইওয়ান নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৬ সালে প্রথম মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পরও ট্রাম্প তৎকালীন তাইওয়ান প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে ফোনালাপ করেছিলেন। সেই ঘটনাটি সে সময় চীনকে মারাত্মকভাবে ক্ষুব্ধ করেছিল এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই চিং-তে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একে অপরের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এই ফোনালাপটি বাস্তবে রূপ নিলে তা চার দশকেরও বেশি সময়ের কূটনৈতিক প্রোটোকল ভেঙে দেবে এবং চীনের তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে বার্তা সংস্থা আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে।
বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন যে তিনি লাইয়ের সঙ্গে কথা বলবেন। এর আগে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর এটি ছিল ট্রাম্পের দ্বিতীয়বারের মতো এমন মন্তব্য, যা তাঁর আগের বক্তব্য কোনো ‘ভুলবশত মন্তব্য’ ছিল না তা পরিষ্কার করে। একই সময়ে হোয়াইট হাউস তাইওয়ানের জন্য প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি বড় ধরনের অস্ত্র বিক্রির প্যাকেজ বিবেচনা করছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে ওয়াশিংটন তাইওয়ান থেকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি সরিয়ে বেইজিংকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে সরাসরি কোনো যোগাযোগ হয়নি। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে এবং প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেনি। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তাইওয়ানের কাছে এই অস্ত্র বিক্রি চীনের সঙ্গে আলোচনায় একটি দরকষাকষির বিষয় হতে পারে।
তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট লাই জানিয়েছেন তাইওয়ান প্রণালিতে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন যে চীনই মূলত এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতায় বাধা সৃষ্টি করছে। লাই আরও উল্লেখ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারলে তিনি খুশি হবেন।
আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের ‘তাইওয়ান রেগুলেশন অ্যাক্ট’ অনুযায়ী তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে ওয়াশিংটন আইনিভাবে বাধ্য। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েলিংটন কু জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং অস্ত্র ক্রয় নিয়ে তারা এখনও আশাবাদী। বর্তমানে তাইওয়ান নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৬ সালে প্রথম মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার পরও ট্রাম্প তৎকালীন তাইওয়ান প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে ফোনালাপ করেছিলেন। সেই ঘটনাটি সে সময় চীনকে মারাত্মকভাবে ক্ষুব্ধ করেছিল এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

আপনার মতামত লিখুন