ঢাকা নিউজ

তিন সুপার ট্যাঙ্কারে এশিয়ার বাজারে ৬০ লাখ ব্যারেল তেল



তিন সুপার ট্যাঙ্কারে এশিয়ার বাজারে ৬০ লাখ ব্যারেল তেল
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি দিয়ে ধীরে ধীরে বের হতে শুরু করেছে তেলবাহী সুপার ট্যাঙ্কার। বুধবার অন্তত তিনটি বিশাল তেলবাহী জাহাজ এশিয়ার বাজারের উদ্দেশ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে শিপিং ডাটা প্রতিষ্ঠান এলএসইজি ও কেপলার। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জাহাজগুলো প্রায় দুই মাস ধরে পারস্য উপসাগরে অপেক্ষায় ছিল এবং এসব ট্যাঙ্কারে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ৬০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। একই সময়ে আরও একটি সুপারট্যাঙ্কার হরমুজে প্রবেশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গেছে, অথচ বিশ্বের মোট তেল ও জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়েই পরিবহন হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার পতাকাবাহী একটি জাহাজ কুয়েত থেকে ২০ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে প্রণালি অতিক্রম করেছে। মার্চের শুরুতে তেল বোঝাই করা এই জাহাজটি দক্ষিণ কোরিয়ার উলসানে যাচ্ছে, যেখানে দেশটির বৃহত্তম তেল শোধনাগার এসকে এনার্জি অবস্থিত।

বুধবার পার হওয়া হংকংয়ের পতাকাবাহী ভিএলসিসি ওশান লিলিতেও ১০ লাখ ব্যারেল করে কাতারি আল-শাহিন ও ইরাকি বসরা অপরিশোধিত তেল ছিল, যা ফেব্রুয়ারির শেষে ও মার্চের শুরুর দিকে লোড হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজে দীর্ঘ সময় জাহাজ আটকে থাকা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং একই সঙ্গে ইরানের নির্দেশিত বিশেষ ট্রানজিট রুট ব্যবহার করে জাহাজ চলাচল এখন আন্তর্জাতিক নজরদারিতে রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১২৫ থেকে ১৪০টি জাহাজ চলাচল করলেও বর্তমানে শত শত জাহাজে থাকা প্রায় ২০ হাজার নাবিক এখনো উপসাগরের ভেতরে আটকে আছেন। জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্যের ভিত্তিতে রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১০টি জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


তিন সুপার ট্যাঙ্কারে এশিয়ার বাজারে ৬০ লাখ ব্যারেল তেল

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

হরমুজ প্রণালি দিয়ে ধীরে ধীরে বের হতে শুরু করেছে তেলবাহী সুপার ট্যাঙ্কার। বুধবার অন্তত তিনটি বিশাল তেলবাহী জাহাজ এশিয়ার বাজারের উদ্দেশ্যে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে শিপিং ডাটা প্রতিষ্ঠান এলএসইজি ও কেপলার। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, জাহাজগুলো প্রায় দুই মাস ধরে পারস্য উপসাগরে অপেক্ষায় ছিল এবং এসব ট্যাঙ্কারে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় ৬০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। একই সময়ে আরও একটি সুপারট্যাঙ্কার হরমুজে প্রবেশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে কমে গেছে, অথচ বিশ্বের মোট তেল ও জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়েই পরিবহন হয়। রয়টার্স জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার পতাকাবাহী একটি জাহাজ কুয়েত থেকে ২০ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে প্রণালি অতিক্রম করেছে। মার্চের শুরুতে তেল বোঝাই করা এই জাহাজটি দক্ষিণ কোরিয়ার উলসানে যাচ্ছে, যেখানে দেশটির বৃহত্তম তেল শোধনাগার এসকে এনার্জি অবস্থিত।

বুধবার পার হওয়া হংকংয়ের পতাকাবাহী ভিএলসিসি ওশান লিলিতেও ১০ লাখ ব্যারেল করে কাতারি আল-শাহিন ও ইরাকি বসরা অপরিশোধিত তেল ছিল, যা ফেব্রুয়ারির শেষে ও মার্চের শুরুর দিকে লোড হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজে দীর্ঘ সময় জাহাজ আটকে থাকা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং একই সঙ্গে ইরানের নির্দেশিত বিশেষ ট্রানজিট রুট ব্যবহার করে জাহাজ চলাচল এখন আন্তর্জাতিক নজরদারিতে রয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১২৫ থেকে ১৪০টি জাহাজ চলাচল করলেও বর্তমানে শত শত জাহাজে থাকা প্রায় ২০ হাজার নাবিক এখনো উপসাগরের ভেতরে আটকে আছেন। জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্যের ভিত্তিতে রয়টার্সের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রতিদিন গড়ে মাত্র ১০টি জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ