ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। কুয়েতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘কুনা’ (KUNA) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে কুয়েতি তেলের দাম এক লাফে প্রতি ব্যারেলে ১১৮ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তেলের দাম এক দিনেই ৮.১০ ডলার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১১৮.৯৩ ডলারে পৌঁছেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিকে বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য এক অশনি সংকেত হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৌশলগতভাবে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’তে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় এই অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি আক্রমণ এবং হুমকির মুখে এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য যে, বিশ্বের মোট জ্বালানি রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই ‘চোকপয়েন্ট’টি অনিরাপদ হয়ে ওঠায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে কেবল কুয়েত নয়, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল সরবরাহও বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে পরিবহন ও উৎপাদন খাতে, যা শেষ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ও চরম অর্থনৈতিক মন্দা ডেকে আনতে পারে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক তেল আমদানিকারক দেশগুলো বিকল্প সরবরাহ পথের সন্ধানে থাকলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাজার শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মার্চ ২০২৬
ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে। কুয়েতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘কুনা’ (KUNA) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে কুয়েতি তেলের দাম এক লাফে প্রতি ব্যারেলে ১১৮ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তেলের দাম এক দিনেই ৮.১০ ডলার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ১১৮.৯৩ ডলারে পৌঁছেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিকে বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য এক অশনি সংকেত হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৌশলগতভাবে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’তে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় এই অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি আক্রমণ এবং হুমকির মুখে এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য যে, বিশ্বের মোট জ্বালানি রপ্তানির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই ‘চোকপয়েন্ট’টি অনিরাপদ হয়ে ওঠায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে কেবল কুয়েত নয়, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেল সরবরাহও বাধাগ্রস্ত হবে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে পরিবহন ও উৎপাদন খাতে, যা শেষ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ও চরম অর্থনৈতিক মন্দা ডেকে আনতে পারে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক তেল আমদানিকারক দেশগুলো বিকল্প সরবরাহ পথের সন্ধানে থাকলেও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাজার শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন