নেত্রকোনা সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের ফচিকা গ্রামে এবার কোরবানির হাট মাতাতে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশাল আকৃতির এক ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ঈশা খাঁ’। তিন বছর আট মাস বয়সি ফ্রিজিয়ান জাতের কালো-সাদা রঙের এই গরুটির ওজন প্রায় সাড়ে ৪২ মণ, উচ্চতা সাড়ে ৫ ফুট এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ ফুট।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরুটিকে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন এর মালিক, স্থানীয় ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য খায়রুল ইসলাম। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করা শান্ত স্বভাবের এই বীরত্বপূর্ণ ও আভিজাত্যময় গরুটিকে দেখতে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ ও ক্রেতারা তার বাড়িতে ভিড় করছেন।
জন্মের পর মাত্র দুই মাস বয়সেই গরুটির চলাফেরায় আলাদা আভিজাত্য দেখে এর নাম রাখা হয় ‘ঈশা খাঁ’। গত বছর কোরবানির ঈদে ক্রেতারা গরুটির দাম ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত বললেও মায়ার কারণে মালিক খায়রুল ইসলাম তখন এটি বিক্রি করেননি, তবে এবার ভালো দাম পেলে আলোচনাসাপেক্ষে তিনি এটি বিক্রি করে দেবেন।
খায়রুল ইসলাম ও তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার গরুটিকে নিজেদের সন্তানের মতো লালন-পালন করেন এবং তাদের অনুপস্থিতিতে ছেলে রবিউল এর দেখাশোনা করে। ২৪ ঘণ্টা বৈদ্যুতিক পাখার নিচে থাকা এই গরুটির পেছনে প্রতিদিন প্রায় এক মণের মতো খাবারের প্রয়োজন হয়।
ঈশা খাঁর খাদ্য তালিকায় কাঁচা ঘাস, খড়, কলা, গম ও ধানের ভুসি, খইল, খুদের ভাত ও শাকসবজি থাকলেও সে মূলত শেওড়াগাছের পাতা খেতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে।
নেত্রকোনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য খাইয়ে বড় করা ১ হাজার ৬০০ কেজির ওপর ওজনের এই ঈশা খাঁ-ই সম্ভবত জেলার সবচেয়ে বড় গরু।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
নেত্রকোনা সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের ফচিকা গ্রামে এবার কোরবানির হাট মাতাতে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশাল আকৃতির এক ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ঈশা খাঁ’। তিন বছর আট মাস বয়সি ফ্রিজিয়ান জাতের কালো-সাদা রঙের এই গরুটির ওজন প্রায় সাড়ে ৪২ মণ, উচ্চতা সাড়ে ৫ ফুট এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ ফুট।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে গরুটিকে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছেন এর মালিক, স্থানীয় ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য খায়রুল ইসলাম। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে লালন-পালন করা শান্ত স্বভাবের এই বীরত্বপূর্ণ ও আভিজাত্যময় গরুটিকে দেখতে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে উৎসুক মানুষ ও ক্রেতারা তার বাড়িতে ভিড় করছেন।
জন্মের পর মাত্র দুই মাস বয়সেই গরুটির চলাফেরায় আলাদা আভিজাত্য দেখে এর নাম রাখা হয় ‘ঈশা খাঁ’। গত বছর কোরবানির ঈদে ক্রেতারা গরুটির দাম ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত বললেও মায়ার কারণে মালিক খায়রুল ইসলাম তখন এটি বিক্রি করেননি, তবে এবার ভালো দাম পেলে আলোচনাসাপেক্ষে তিনি এটি বিক্রি করে দেবেন।
খায়রুল ইসলাম ও তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার গরুটিকে নিজেদের সন্তানের মতো লালন-পালন করেন এবং তাদের অনুপস্থিতিতে ছেলে রবিউল এর দেখাশোনা করে। ২৪ ঘণ্টা বৈদ্যুতিক পাখার নিচে থাকা এই গরুটির পেছনে প্রতিদিন প্রায় এক মণের মতো খাবারের প্রয়োজন হয়।
ঈশা খাঁর খাদ্য তালিকায় কাঁচা ঘাস, খড়, কলা, গম ও ধানের ভুসি, খইল, খুদের ভাত ও শাকসবজি থাকলেও সে মূলত শেওড়াগাছের পাতা খেতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে।
নেত্রকোনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য খাইয়ে বড় করা ১ হাজার ৬০০ কেজির ওপর ওজনের এই ঈশা খাঁ-ই সম্ভবত জেলার সবচেয়ে বড় গরু।

আপনার মতামত লিখুন