জীবিকা নির্বাহ ও সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে ব্যবসা ছেড়ে গত বছরের অক্টোবর মাসে সৌদি আরব পাড়ি জমান নেত্রকোনার মদন উপজেলার যুবক রিপন মিয়া (৩৭)। সেখানে কঠোর পরিশ্রমে পরিবারটি সচ্ছলতার মুখ দেখতে শুরু করলেও এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাতে হয়েছে তাকে।
তিনি উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দশ্রী বড্ডা গ্রামের মো. বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবরে গ্রামের বাড়িতে এখন গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সৌদি সময় গত বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এম্বো শহর থেকে ফাইল শহরে যাওয়ার পথে মদিনার কাছে একটি মালবাহী লরি পেছন থেকে তাদের টেক্সিক্যাবটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান রিপন মিয়া। দুর্ঘটনার কিছু সময় আগেই তিনি মাগরিবের নামাজ শেষে ভিডিও কলে দেশে থাকা বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে মসজিদে নববী ও আশপাশের এলাকা দেখিয়েছিলেন।
নিহত রিপন মিয়ার পরিবারে স্ত্রী ছাড়াও এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় সন্তানকে হারিয়ে স্তব্ধ বৃদ্ধ বাবা বাচ্চু মিয়া এখন তার ছেলের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
মদন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাওলিন নাহার জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন এবং নিহতের পরিবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে তার কাছ থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
জীবিকা নির্বাহ ও সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে ব্যবসা ছেড়ে গত বছরের অক্টোবর মাসে সৌদি আরব পাড়ি জমান নেত্রকোনার মদন উপজেলার যুবক রিপন মিয়া (৩৭)। সেখানে কঠোর পরিশ্রমে পরিবারটি সচ্ছলতার মুখ দেখতে শুরু করলেও এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাতে হয়েছে তাকে।
তিনি উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দশ্রী বড্ডা গ্রামের মো. বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবরে গ্রামের বাড়িতে এখন গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সৌদি সময় গত বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এম্বো শহর থেকে ফাইল শহরে যাওয়ার পথে মদিনার কাছে একটি মালবাহী লরি পেছন থেকে তাদের টেক্সিক্যাবটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান রিপন মিয়া। দুর্ঘটনার কিছু সময় আগেই তিনি মাগরিবের নামাজ শেষে ভিডিও কলে দেশে থাকা বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে মসজিদে নববী ও আশপাশের এলাকা দেখিয়েছিলেন।
নিহত রিপন মিয়ার পরিবারে স্ত্রী ছাড়াও এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় সন্তানকে হারিয়ে স্তব্ধ বৃদ্ধ বাবা বাচ্চু মিয়া এখন তার ছেলের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
মদন উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাওলিন নাহার জানান, তিনি বিষয়টি শুনেছেন এবং নিহতের পরিবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে তার কাছ থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন