আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে অনলাইন ও অফলাইনে ব্যাপকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল নোট তৈরি ও সরবরাহকারী চক্রের মৌসুমি কারবারিরা। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, সারা বছর দেশে যে পরিমাণ জাল নোট তৈরি হয়, তার প্রায় ৭০ শতাংশই ছড়ানো হয়ে থাকে দুই ঈদকে লক্ষ্য করে।
বর্তমানে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপে প্রকাশ্যে পোস্ট দিয়ে এই জাল নোট কেনাবেচা করা হচ্ছে। চক্রগুলো অনলাইনের বিভিন্ন গ্রুপে এক লাখ টাকার জাল নোট মাত্র ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করছে, আবার কোনো কোনো গ্রুপে এর দাম ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গোপন এলাকায় এসব জাল নোট তৈরির কারখানা চালু রয়েছে। ঈদ সামনে রেখে মূলত পশুর হাট ও বিভিন্ন শপিং মল বা মার্কেটগুলোকে টার্গেট করে এই বিপুল পরিমাণ জাল নোট বাজারে ছড়াতে মাঠে নেমেছে একাধিক সিন্ডিকেট।
সাম্প্রতিক কিছু অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে:
১৩ মে: মতিঝিলের কমলাপুর বাজার রোডের একটি সাইবার ক্যাফে থেকে জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেফতার করে র্যাব-৩।
১৪ জু: উত্তরা ও টঙ্গী এলাকা থেকে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
জাল নোটের পাশাপাশি চলতি মাসের শুরু থেকেই রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির তৎপরতাও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে গরুর হাট, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও গণপরিবহণে যাত্রী সেজে এই চক্রের সদস্যরা সাধারণ মানুষকে সর্বস্বান্ত করছে। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা জানান, এই মৌসুমি অপরাধীরা মূলত সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে উৎসবের আগে রাজধানীতে আসে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক এই মৌসুমি অপরাধ রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি দ্বিগুণ করার পাশাপাশি ঈদে বাড়িফেরা যাত্রী ও সাধারণ নাগরিকদের সর্বোচ্চ সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে অনলাইন ও অফলাইনে ব্যাপকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল নোট তৈরি ও সরবরাহকারী চক্রের মৌসুমি কারবারিরা। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, সারা বছর দেশে যে পরিমাণ জাল নোট তৈরি হয়, তার প্রায় ৭০ শতাংশই ছড়ানো হয়ে থাকে দুই ঈদকে লক্ষ্য করে।
বর্তমানে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপে প্রকাশ্যে পোস্ট দিয়ে এই জাল নোট কেনাবেচা করা হচ্ছে। চক্রগুলো অনলাইনের বিভিন্ন গ্রুপে এক লাখ টাকার জাল নোট মাত্র ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করছে, আবার কোনো কোনো গ্রুপে এর দাম ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন গোপন এলাকায় এসব জাল নোট তৈরির কারখানা চালু রয়েছে। ঈদ সামনে রেখে মূলত পশুর হাট ও বিভিন্ন শপিং মল বা মার্কেটগুলোকে টার্গেট করে এই বিপুল পরিমাণ জাল নোট বাজারে ছড়াতে মাঠে নেমেছে একাধিক সিন্ডিকেট।
সাম্প্রতিক কিছু অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে:
১৩ মে: মতিঝিলের কমলাপুর বাজার রোডের একটি সাইবার ক্যাফে থেকে জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেফতার করে র্যাব-৩।
১৪ জু: উত্তরা ও টঙ্গী এলাকা থেকে প্রায় ৩৪ লাখ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
জাল নোটের পাশাপাশি চলতি মাসের শুরু থেকেই রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির তৎপরতাও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে গরুর হাট, বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট ও গণপরিবহণে যাত্রী সেজে এই চক্রের সদস্যরা সাধারণ মানুষকে সর্বস্বান্ত করছে। অপরাধ বিশেষজ্ঞরা জানান, এই মৌসুমি অপরাধীরা মূলত সীমান্তবর্তী অঞ্চল ও ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে উৎসবের আগে রাজধানীতে আসে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক এই মৌসুমি অপরাধ রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি দ্বিগুণ করার পাশাপাশি ঈদে বাড়িফেরা যাত্রী ও সাধারণ নাগরিকদের সর্বোচ্চ সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন