যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের পথে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বড় বাধা হতে পারেন বলে ধারণা করছেন কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আবদুল্লাহ বান্দার আল-এতাইবি। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের মধ্যে সমঝোতার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা নেতানিয়াহু ও আইআরজিসির মোটেও পছন্দ হচ্ছে না। অধ্যাপক আল-এতাইবির মতে, মধ্যস্থতাকারীরা উভয় পক্ষকে কাছাকাছি আনার চেষ্টা করলেও এখনো বেশ কিছু বিষয় চুক্তির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর আগে দুই পক্ষই এমন একটি অবস্থান নিশ্চিত করতে চাইবে, যাতে নিজেদের বিজয়ী হিসেবে প্রদর্শন করা যায় এবং চাপের মুখে পড়ে তারা সমঝোতা করেছে— এমন কোনো ধারণা যেন তৈরি না হয়। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্র তাড়াহুড়ো করবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সতর্ক করে বলেন, চুক্তি চূড়ান্ত, প্রত্যয়িত ও স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুরোপুরি বহাল থাকবে। অন্যদিকে ইরানও তাদের আগের অবস্থানে অনড় রয়েছে এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছে। তেহরান কড়া ভাষায় জানিয়েছে, জব্দকৃত অর্থ অবমুক্ত করাসহ তাদের দেওয়া নতুন কয়েকটি শর্ত মেনে নেওয়া হলেই কেবল এই চুক্তি সম্পন্ন হবে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের পথে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বড় বাধা হতে পারেন বলে ধারণা করছেন কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক আবদুল্লাহ বান্দার আল-এতাইবি। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের মধ্যে সমঝোতার যে প্রচেষ্টা চলছে, তা নেতানিয়াহু ও আইআরজিসির মোটেও পছন্দ হচ্ছে না। অধ্যাপক আল-এতাইবির মতে, মধ্যস্থতাকারীরা উভয় পক্ষকে কাছাকাছি আনার চেষ্টা করলেও এখনো বেশ কিছু বিষয় চুক্তির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর আগে দুই পক্ষই এমন একটি অবস্থান নিশ্চিত করতে চাইবে, যাতে নিজেদের বিজয়ী হিসেবে প্রদর্শন করা যায় এবং চাপের মুখে পড়ে তারা সমঝোতা করেছে— এমন কোনো ধারণা যেন তৈরি না হয়। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্র তাড়াহুড়ো করবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সতর্ক করে বলেন, চুক্তি চূড়ান্ত, প্রত্যয়িত ও স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ পুরোপুরি বহাল থাকবে। অন্যদিকে ইরানও তাদের আগের অবস্থানে অনড় রয়েছে এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছে। তেহরান কড়া ভাষায় জানিয়েছে, জব্দকৃত অর্থ অবমুক্ত করাসহ তাদের দেওয়া নতুন কয়েকটি শর্ত মেনে নেওয়া হলেই কেবল এই চুক্তি সম্পন্ন হবে।

আপনার মতামত লিখুন