আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় একটি অবৈধ সোনার খনি ধসে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এই ভূমিধসের ঘটনায় খনির ভেতরে এখনো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির পুলিশ প্রশাসন। নিখোঁজদের উদ্ধারে দুর্ঘটনাস্থলে জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাজধানী লুয়ান্ডার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বেঙ্গো প্রদেশে শনিবার (২৩ মে) এই খনি ধসের ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোদের মধ্যে একই পরিবারের ১৩ জন সদস্য রয়েছেন এবং খনির ভেতরে মাটি চাপা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়।
পুলিশের মুখপাত্র গ্যাসপার লুইস ইনাসিও রোববারে (২৪ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের জানান, খনি ধসের পর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এখনো অন্তত দুজন খনিশ্রমিক মাটির নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধার করার চেষ্টাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বেঙ্গো সেন্ট্রাল হাসপাতালের স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক ফ্রান্সিসকো রদ্রিগেজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, খনি থেকে উদ্ধার হওয়া আহতদের মধ্যে অন্তত তিনজনকে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ওই তিন রোগীই সম্পূর্ণ সচেতন এবং আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন। এই মুহূর্তে তাদের অন্য কোনো উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরের প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি।
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এমন অবৈধ খনি পরিচালনার ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে এই খনিগুলো ভয়াবহ মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়। অ্যাঙ্গোলায় ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয়টি দেশটিতে অবৈধ খনি খননের ঝুঁকি এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তার অভাবকে আবারও বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় একটি অবৈধ সোনার খনি ধসে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। ভয়াবহ এই ভূমিধসের ঘটনায় খনির ভেতরে এখনো কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির পুলিশ প্রশাসন। নিখোঁজদের উদ্ধারে দুর্ঘটনাস্থলে জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাজধানী লুয়ান্ডার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত বেঙ্গো প্রদেশে শনিবার (২৩ মে) এই খনি ধসের ঘটনাটি ঘটে। নিহতদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানোদের মধ্যে একই পরিবারের ১৩ জন সদস্য রয়েছেন এবং খনির ভেতরে মাটি চাপা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়।
পুলিশের মুখপাত্র গ্যাসপার লুইস ইনাসিও রোববারে (২৪ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের জানান, খনি ধসের পর থেকেই নিখোঁজদের উদ্ধারে পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এখনো অন্তত দুজন খনিশ্রমিক মাটির নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং তাদের জীবিত উদ্ধার করার চেষ্টাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বেঙ্গো সেন্ট্রাল হাসপাতালের স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক ফ্রান্সিসকো রদ্রিগেজ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, খনি থেকে উদ্ধার হওয়া আহতদের মধ্যে অন্তত তিনজনকে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে ওই তিন রোগীই সম্পূর্ণ সচেতন এবং আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন। এই মুহূর্তে তাদের অন্য কোনো উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরের প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি।
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এমন অবৈধ খনি পরিচালনার ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ে এই খনিগুলো ভয়াবহ মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়। অ্যাঙ্গোলায় ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয়টি দেশটিতে অবৈধ খনি খননের ঝুঁকি এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তার অভাবকে আবারও বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন