কুরবানির ঈদ সামনে রেখে দেশের পশুর হাটগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ছে। তবে শুধু বড় আকার বা কম দাম নয়, কুরবানির পশুটি সুস্থ কি না তা নিশ্চিত হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম উপায়ে গরুকে মোটাতাজা করতে ক্ষতিকর ইনজেকশন বা স্টেরয়েড ব্যবহার করেন যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরুর মাংস খেলে মানুষের লিভার ও কিডনিতে গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সুস্থ গরু চেনার জন্য কেনার আগে পশুর চোখ, মুখ, নাক, চলাফেরা, শরীরের ক্ষত ও খাবার খাওয়ার অভ্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলো ভালোভাবে দেখে নেওয়া জরুরি।
একটি সুস্থ গরুর চোখ সাধারণত উজ্জ্বল ও পরিষ্কার থাকে, মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা পড়ে না এবং নাক হালকা ভেজা থাকে। অন্যদিকে, গরুর চোখ অতিরিক্ত লাল বা ঘোলা হওয়া, অনবরত পানি পড়া, জিভ ঝুলে থাকা, ঘন সর্দি ও শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে।
শারীরিক সচলতার দিক থেকে সুস্থ গরু সতেজ থাকে এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করে। যদি কোনো পশুর হাঁটতে কষ্ট হয়, খুঁড়িয়ে হাঁটে, অতিরিক্ত হাঁপায় বা দীর্ঘসময় নিস্তেজ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে বুঝতে হবে তার শারীরিক সমস্যা রয়েছে। এছাড়া গরুর শরীরে কোনো বড় ক্ষত, ঘা, অস্বাভাবিক ফোলা বা চামড়ার রোগ আছে কি না তাও যাচাই করে নেওয়া উচিত।
ইনজেকশন দিয়ে মোটাতাজা করা গরু চেনার সহজ উপায় হলো তার পিঠ বা রানের মাংসল স্থানে আঙুল দিয়ে কিছুক্ষণ চাপ দেওয়া। যদি চাপের জায়গাটি বসে গিয়ে কিছু সময় দাগের মতো থেকে যায়, তবে ধরে নিতে হবে গরুটিকে কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা হয়েছে, কারণ সুস্থ গরুর মাংস তুলনামূলক শক্ত থাকে এবং চাপ সরিয়ে নিলে দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
কুরবানির পশুর নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে দাঁত দেখে বয়স যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। সর্বোপরি, প্রতারণার ঝুঁকি এড়াতে এবং পশুর স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সম্ভব হলে পরিচিত বা কোনো বিশ্বস্ত খামারির কাছ থেকে গরু কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
কুরবানির ঈদ সামনে রেখে দেশের পশুর হাটগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ছে। তবে শুধু বড় আকার বা কম দাম নয়, কুরবানির পশুটি সুস্থ কি না তা নিশ্চিত হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম উপায়ে গরুকে মোটাতাজা করতে ক্ষতিকর ইনজেকশন বা স্টেরয়েড ব্যবহার করেন যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরুর মাংস খেলে মানুষের লিভার ও কিডনিতে গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সুস্থ গরু চেনার জন্য কেনার আগে পশুর চোখ, মুখ, নাক, চলাফেরা, শরীরের ক্ষত ও খাবার খাওয়ার অভ্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলো ভালোভাবে দেখে নেওয়া জরুরি।
একটি সুস্থ গরুর চোখ সাধারণত উজ্জ্বল ও পরিষ্কার থাকে, মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা পড়ে না এবং নাক হালকা ভেজা থাকে। অন্যদিকে, গরুর চোখ অতিরিক্ত লাল বা ঘোলা হওয়া, অনবরত পানি পড়া, জিভ ঝুলে থাকা, ঘন সর্দি ও শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে।
শারীরিক সচলতার দিক থেকে সুস্থ গরু সতেজ থাকে এবং স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করে। যদি কোনো পশুর হাঁটতে কষ্ট হয়, খুঁড়িয়ে হাঁটে, অতিরিক্ত হাঁপায় বা দীর্ঘসময় নিস্তেজ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে বুঝতে হবে তার শারীরিক সমস্যা রয়েছে। এছাড়া গরুর শরীরে কোনো বড় ক্ষত, ঘা, অস্বাভাবিক ফোলা বা চামড়ার রোগ আছে কি না তাও যাচাই করে নেওয়া উচিত।
ইনজেকশন দিয়ে মোটাতাজা করা গরু চেনার সহজ উপায় হলো তার পিঠ বা রানের মাংসল স্থানে আঙুল দিয়ে কিছুক্ষণ চাপ দেওয়া। যদি চাপের জায়গাটি বসে গিয়ে কিছু সময় দাগের মতো থেকে যায়, তবে ধরে নিতে হবে গরুটিকে কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা হয়েছে, কারণ সুস্থ গরুর মাংস তুলনামূলক শক্ত থাকে এবং চাপ সরিয়ে নিলে দ্রুত আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
কুরবানির পশুর নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে দাঁত দেখে বয়স যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। সর্বোপরি, প্রতারণার ঝুঁকি এড়াতে এবং পশুর স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হতে সম্ভব হলে পরিচিত বা কোনো বিশ্বস্ত খামারির কাছ থেকে গরু কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন