দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির উত্তরের আন্তোফাগাস্তা অঞ্চলে একটি শক্তিশালী ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় সোমবার বিকালে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কালামা শহরের দক্ষিণে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে এবং কম্পনটি আশপাশের বিভিন্ন এলাকাতেও বেশ ভালোভাবেই অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর চিলির হাইড্রোগ্রাফিক ও ওশেনোগ্রাফিক সার্ভিস জানিয়েছে, এই কম্পনের ফলে চিলি উপকূলে সুনামি হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি এবং এ কারণে উপকূলীয় এলাকায় কোনো সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে চিলির অবস্থান হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। মূলত নাজকা ও দক্ষিণ আমেরিকান টেকটোনিক প্লেটের অনবরত সংঘর্ষের কারণে এই অঞ্চলে নিয়মিত ছোট-বড় ভূমিকম্প আঘাত হেনে থাকে।
চিলির ইতিহাসে এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল। ১৯৬০ সালে দেশটির ভালদিভিয়ায় ৯ দশমিক ৫ মাত্রার এক প্রলয়ঙ্কারী ভূমিকম্পে দুই হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান। এছাড়া ২০১০ সালে চিলিতে ৮ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভয়াবহ ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামির আঘাতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির উত্তরের আন্তোফাগাস্তা অঞ্চলে একটি শক্তিশালী ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় সোমবার বিকালে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কালামা শহরের দক্ষিণে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে এবং কম্পনটি আশপাশের বিভিন্ন এলাকাতেও বেশ ভালোভাবেই অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর চিলির হাইড্রোগ্রাফিক ও ওশেনোগ্রাফিক সার্ভিস জানিয়েছে, এই কম্পনের ফলে চিলি উপকূলে সুনামি হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি এবং এ কারণে উপকূলীয় এলাকায় কোনো সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে চিলির অবস্থান হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। মূলত নাজকা ও দক্ষিণ আমেরিকান টেকটোনিক প্লেটের অনবরত সংঘর্ষের কারণে এই অঞ্চলে নিয়মিত ছোট-বড় ভূমিকম্প আঘাত হেনে থাকে।
চিলির ইতিহাসে এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছিল। ১৯৬০ সালে দেশটির ভালদিভিয়ায় ৯ দশমিক ৫ মাত্রার এক প্রলয়ঙ্কারী ভূমিকম্পে দুই হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান। এছাড়া ২০১০ সালে চিলিতে ৮ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভয়াবহ ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামির আঘাতে পাঁচ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন