ঢাকা নিউজ

বিশ্ববাজারে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়ালো তেলের দাম



বিশ্ববাজারে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়ালো তেলের দাম
ছবি : সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। বুধবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। ঈদের আগে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যসহ এশিয়ার বাজারগুলোতে এর প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলায় ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার আশা কমে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি জটিল সময় পার করছে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান সংকট এবং বাজারে অনিশ্চয়তার কারণেই মূলত তেলের দাম বাড়ছে।

এর আগে গত মাসের শেষ দিকে সংঘাত ও হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহণ ব্যাহত হওয়ার কারণে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলার ছাড়িয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্যবসায়ীরা কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে উপসাগরীয় দেশগুলো আবার তেল রপ্তানি শুরু করতে পারবে বলে প্রত্যাশা করেছিলেন। সেই প্রত্যাশায় গত সোমবার ব্রেন্টের দাম প্রায় ৯৭ ডলারে নেমে এসেছিল।

জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এইচএফআই রিসার্চ গত সপ্তাহে জানিয়েছে, তেলের বাজার হয়তো এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখান থেকে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা কঠিন হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, কয়েক সপ্তাহ ধরে সরবরাহে ব্যাঘাতের কারণে বৈশ্বিক তেল মজুত কমে গেছে এবং অন্যদিকে গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুমে পরিবহণ জ্বালানির চাহিদাও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬


বিশ্ববাজারে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়ালো তেলের দাম

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। বুধবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। ঈদের আগে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যসহ এশিয়ার বাজারগুলোতে এর প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলায় ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতার আশা কমে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি জটিল সময় পার করছে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান সংকট এবং বাজারে অনিশ্চয়তার কারণেই মূলত তেলের দাম বাড়ছে।

এর আগে গত মাসের শেষ দিকে সংঘাত ও হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি পরিবহণ ব্যাহত হওয়ার কারণে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলার ছাড়িয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্যবসায়ীরা কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে উপসাগরীয় দেশগুলো আবার তেল রপ্তানি শুরু করতে পারবে বলে প্রত্যাশা করেছিলেন। সেই প্রত্যাশায় গত সোমবার ব্রেন্টের দাম প্রায় ৯৭ ডলারে নেমে এসেছিল।

জ্বালানি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এইচএফআই রিসার্চ গত সপ্তাহে জানিয়েছে, তেলের বাজার হয়তো এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখান থেকে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরা কঠিন হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, কয়েক সপ্তাহ ধরে সরবরাহে ব্যাঘাতের কারণে বৈশ্বিক তেল মজুত কমে গেছে এবং অন্যদিকে গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুমে পরিবহণ জ্বালানির চাহিদাও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ