ভোলায় নিজস্ব গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে তীব্র লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছেন ভোলা ও দৌলতখানের বাসিন্দারা। প্রতিদিন গড়ে আট থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা কার্যক্রম এবং স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে রোববার বেলা ১১টায় দৌলতখানের বাংলাবাজার এলাকায় এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী গ্রাহক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন যে, ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে এবং তীব্র গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা রাতে পড়াশোনা করতে পারছে না, পাশাপাশি বিদ্যুতের এই অনিয়মিত ও অস্বাভাবিক ওঠানামার কারণে ফ্যান, ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মূল্যবান বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। দ্রুত এই লোডশেডিং সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দেন। প্রতিবাদ মানববন্ধন শেষে ভুক্তভোগীদের একটি প্রতিনিধি দল স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানায়। এ সময় তারা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই সমস্যা সমাধানে দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি আলটিমেটাম প্রদান করেন।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
ভোলায় নিজস্ব গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে তীব্র লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছেন ভোলা ও দৌলতখানের বাসিন্দারা। প্রতিদিন গড়ে আট থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা কার্যক্রম এবং স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে রোববার বেলা ১১টায় দৌলতখানের বাংলাবাজার এলাকায় এক বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী গ্রাহক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন যে, ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে এবং তীব্র গরমে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা রাতে পড়াশোনা করতে পারছে না, পাশাপাশি বিদ্যুতের এই অনিয়মিত ও অস্বাভাবিক ওঠানামার কারণে ফ্যান, ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন মূল্যবান বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। দ্রুত এই লোডশেডিং সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দেন। প্রতিবাদ মানববন্ধন শেষে ভুক্তভোগীদের একটি প্রতিনিধি দল স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানায়। এ সময় তারা আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই সমস্যা সমাধানে দৃশ্যমান ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একটি আলটিমেটাম প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন