ঢাকা নিউজ

সংকট মুহূর্তে শহীদ জিয়া বারবার ত্রাণকর্তা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন: ড. খন্দকার মারুফ



সংকট মুহূর্তে শহীদ জিয়া বারবার ত্রাণকর্তা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন: ড. খন্দকার মারুফ
ছবি : সংগৃহীত

দেশ ও জাতির প্রতিটি গভীর সংকটময় মুহূর্তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নির্ভয়ে ত্রাণকর্তা হিসেবে বারবার অবতীর্ণ হয়েছেন এবং বীরোচিত পদক্ষেপ নিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি শহীদ জিয়াকে আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে অভিহিত করেন।

রোববার (৩১ মে) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকীতে দাউদকান্দি উপজেলা সদরের শহীদ রিফাত পার্ক প্রাঙ্গণে পৌর বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মারুফ এসব কথা বলেন।

ড. খন্দকার মারুফ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও সততায় জিয়াউর রহমান আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশ নিয়ে গঠিত ‘সার্ক’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন এবং তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়ার সহধর্মিনী প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসক এরশাদ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন করে তিন বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশে সংসদীয় সরকার ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনসহ টেকসই গণতন্ত্র নিশ্চিত করেছিলেন।

যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ ১৬ বছর নির্বাসিত থাকার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হয় বলে ড. খন্দকার মারুফ জানান। তিনি বলেন, ২০২৬ সালের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়ে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নিরলস কাজ করছেন এবং গত ১০০ দিনে রাষ্ট্রের প্রচুরসংখ্যক জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় সব মহলে প্রশংসিত হচ্ছেন।

দাউদকান্দি পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব কাউসার আলম সরকারের সঞ্চালনায় উক্ত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন:

  • কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান সরকার

  • সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেম

  • দাউদকান্দি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার একেএম শামসুল হক

  • দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া

  • সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব জসিমউদ্দিন আহমেদ এবং স্থানীয় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ৩১ মে ২০২৬


সংকট মুহূর্তে শহীদ জিয়া বারবার ত্রাণকর্তা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন: ড. খন্দকার মারুফ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

দেশ ও জাতির প্রতিটি গভীর সংকটময় মুহূর্তে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নির্ভয়ে ত্রাণকর্তা হিসেবে বারবার অবতীর্ণ হয়েছেন এবং বীরোচিত পদক্ষেপ নিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি শহীদ জিয়াকে আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে অভিহিত করেন।

রোববার (৩১ মে) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকীতে দাউদকান্দি উপজেলা সদরের শহীদ রিফাত পার্ক প্রাঙ্গণে পৌর বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মারুফ এসব কথা বলেন।

ড. খন্দকার মারুফ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, স্থিতিশীলতা, সুশাসন ও সততায় জিয়াউর রহমান আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার ৭টি দেশ নিয়ে গঠিত ‘সার্ক’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন এবং তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়ার সহধর্মিনী প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসক এরশাদ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন করে তিন বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশে সংসদীয় সরকার ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনসহ টেকসই গণতন্ত্র নিশ্চিত করেছিলেন।

যুক্তরাজ্যে দীর্ঘ ১৬ বছর নির্বাসিত থাকার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হয় বলে ড. খন্দকার মারুফ জানান। তিনি বলেন, ২০২৬ সালের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়ে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে নিরলস কাজ করছেন এবং গত ১০০ দিনে রাষ্ট্রের প্রচুরসংখ্যক জনগুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় সব মহলে প্রশংসিত হচ্ছেন।

দাউদকান্দি পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব কাউসার আলম সরকারের সঞ্চালনায় উক্ত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন:

  • কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান সরকার

  • সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল হাশেম

  • দাউদকান্দি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার একেএম শামসুল হক

  • দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এম এ লতিফ ভূঁইয়া

  • সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব জসিমউদ্দিন আহমেদ এবং স্থানীয় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ