বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দীর্ঘ প্রায় ১১ ঘণ্টার বিমানযাত্রা শেষে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে মিসৌরিতে অবতরণ করে দলটির বহনকারী চার্টার বিমান। বুয়েন্স আয়ার্স থেকে যাত্রা করে তারা প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মাইল পথ অতিক্রম করেছে।
আর্জেন্টিকার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের বছরকে স্মরণীয় করে রাখতে ফ্লাইটটির নম্বর রাখা হয়েছিল ‘১৯৭৮’। সেই বছর নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি।
দলকে বহনকারী এয়ারবাস এ৩৩০ বিমানটি বিশেষভাবে সাজানো হয়েছিল। আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী নীল-সাদা রঙের নকশার পাশাপাশি বিমানের লেজে স্থান পেয়েছিল অধিনায়ক লিওনেল মেসির ১০ নম্বর জার্সির প্রতীক। এছাড়া তিনটি সোনালি তারকা তাদের বিশ্বকাপ জয়ের তিনটি শিরোপার প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়।
কানসাস সিটিতে নিজেদের বেস ক্যাম্প স্থাপন করবে আর্জেন্টিনা। একই স্থানে পরে নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড ও আলজেরিয়া দলও যোগ দেবে। ইউনিভার্সিটি অব কানসাসের কাছাকাছি এলাকায় দলগুলোর অবস্থান ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
স্কোয়াডের বেশিরভাগ সদস্য এই চার্টার ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রে এলেও কয়েকজন ফুটবলার ক্লাবের দায়িত্ব শেষ করে পরে দলে যোগ দেবেন। বিমানবন্দর থেকে নেমেই খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা নির্ধারিত বাসে করে হোটেলের উদ্দেশে রওনা হন।
মেসিদের আবাসস্থল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে কানসাস সিটির অরিজিন হোটেল। প্রথম দিন হালকা শরীরচর্চার মাধ্যমে সময় কাটালেও পুরো দল একত্রিত হওয়ার পর সোমবার থেকে পুরোদমে অনুশীলন শুরু হবে। অনুশীলনের ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে স্পোর্টিং কানসাস সিটির কম্পাস মিনারেলস ন্যাশনাল পারফরম্যান্স সেন্টার।
বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। প্রথমটিতে তারা হন্ডুরাসের মুখোমুখি হবে, এরপর আইসল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ।
বাংলাদেশ সময় ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরপর অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে বাকি দুটি গ্রুপ ম্যাচ খেলবে তারা।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দীর্ঘ প্রায় ১১ ঘণ্টার বিমানযাত্রা শেষে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। রোববার স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে মিসৌরিতে অবতরণ করে দলটির বহনকারী চার্টার বিমান। বুয়েন্স আয়ার্স থেকে যাত্রা করে তারা প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মাইল পথ অতিক্রম করেছে।
আর্জেন্টিকার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের বছরকে স্মরণীয় করে রাখতে ফ্লাইটটির নম্বর রাখা হয়েছিল ‘১৯৭৮’। সেই বছর নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি।
দলকে বহনকারী এয়ারবাস এ৩৩০ বিমানটি বিশেষভাবে সাজানো হয়েছিল। আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী নীল-সাদা রঙের নকশার পাশাপাশি বিমানের লেজে স্থান পেয়েছিল অধিনায়ক লিওনেল মেসির ১০ নম্বর জার্সির প্রতীক। এছাড়া তিনটি সোনালি তারকা তাদের বিশ্বকাপ জয়ের তিনটি শিরোপার প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়।
কানসাস সিটিতে নিজেদের বেস ক্যাম্প স্থাপন করবে আর্জেন্টিনা। একই স্থানে পরে নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড ও আলজেরিয়া দলও যোগ দেবে। ইউনিভার্সিটি অব কানসাসের কাছাকাছি এলাকায় দলগুলোর অবস্থান ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
স্কোয়াডের বেশিরভাগ সদস্য এই চার্টার ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রে এলেও কয়েকজন ফুটবলার ক্লাবের দায়িত্ব শেষ করে পরে দলে যোগ দেবেন। বিমানবন্দর থেকে নেমেই খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা নির্ধারিত বাসে করে হোটেলের উদ্দেশে রওনা হন।
মেসিদের আবাসস্থল হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে কানসাস সিটির অরিজিন হোটেল। প্রথম দিন হালকা শরীরচর্চার মাধ্যমে সময় কাটালেও পুরো দল একত্রিত হওয়ার পর সোমবার থেকে পুরোদমে অনুশীলন শুরু হবে। অনুশীলনের ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে স্পোর্টিং কানসাস সিটির কম্পাস মিনারেলস ন্যাশনাল পারফরম্যান্স সেন্টার।
বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। প্রথমটিতে তারা হন্ডুরাসের মুখোমুখি হবে, এরপর আইসল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ।
বাংলাদেশ সময় ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরপর অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে বাকি দুটি গ্রুপ ম্যাচ খেলবে তারা।

আপনার মতামত লিখুন