ঢাকা নিউজ

মদিনায় করণীয় গুরুত্বপূর্ণ ৪টি সুন্নত আমল



মদিনায় করণীয় গুরুত্বপূর্ণ ৪টি সুন্নত আমল
ছবি : সংগৃহীত

হজের সফর শুধু মক্কার ইবাদতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মদিনা মুনাওয়ারার সফরও একজন মুমিনের হৃদয়ের গভীরতম আকাঙ্ক্ষার অংশ। মদিনায় গিয়ে মসজিদে নববি জিয়ারত করা, নবীজির রওজা মোবারকে সালাম পেশ করা এবং ঐতিহাসিক ইসলামি নিদর্শনগুলো পরিদর্শন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ সুন্নত আমল।

মদিনায় অবস্থানকালে প্রথম সুন্নত আমলটি হলো মসজিদে নববিতে বেশি বেশি নামাজ আদায় করা, কারণ এখানে এক রাকাত নামাজের সওয়াব সাধারণ মসজিদের তুলনায় বহুগুণ বেশি। বিশেষ করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান তথা ‘রওজাতুম মিন রিয়াদিল জান্নাহ’ বা জান্নাতের বাগানে ইবাদত করার আলাদা ফজিলত রয়েছে।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করা এবং একই সাথে তাঁর দুই মহান সাথী হজরত আবু বকর (রা.) ও হজরত ওমর (রা.)-এর প্রতি সালাত ও সালাম পেশ করা। এর পাশাপাশি অসংখ্য সাহাবির স্মৃতিবিজড়িত জান্নাতুল বাকি কবরস্থান জিয়ারত করাও সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।

তৃতীয় আমলটি হলো ইসলামের ইতিহাসে প্রথম নির্মিত মসজিদ ‘মসজিদে কুবায়’ নামাজ আদায় করা। নিজ ঘরে অজু করে এই মসজিদে এসে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলে একটি ওমরাহর সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করা যায়।

চতুর্থ সুন্নত আমলটি হলো ওহুদ প্রান্তরে গিয়ে ইসলামের মহান শহিদদের কবর জিয়ারত করা। হজরত হামজা (রা.)-সহ ওহুদের শহিদদের কবর জিয়ারত করে সালাম পেশ করলে কেয়ামত পর্যন্ত শহিদগণ সেই সালামের জবাব দেবেন বলে বর্ণনায় এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬


মদিনায় করণীয় গুরুত্বপূর্ণ ৪টি সুন্নত আমল

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬

featured Image

হজের সফর শুধু মক্কার ইবাদতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মদিনা মুনাওয়ারার সফরও একজন মুমিনের হৃদয়ের গভীরতম আকাঙ্ক্ষার অংশ। মদিনায় গিয়ে মসজিদে নববি জিয়ারত করা, নবীজির রওজা মোবারকে সালাম পেশ করা এবং ঐতিহাসিক ইসলামি নিদর্শনগুলো পরিদর্শন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ সুন্নত আমল।

মদিনায় অবস্থানকালে প্রথম সুন্নত আমলটি হলো মসজিদে নববিতে বেশি বেশি নামাজ আদায় করা, কারণ এখানে এক রাকাত নামাজের সওয়াব সাধারণ মসজিদের তুলনায় বহুগুণ বেশি। বিশেষ করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ঘর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থান তথা ‘রওজাতুম মিন রিয়াদিল জান্নাহ’ বা জান্নাতের বাগানে ইবাদত করার আলাদা ফজিলত রয়েছে।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করা এবং একই সাথে তাঁর দুই মহান সাথী হজরত আবু বকর (রা.) ও হজরত ওমর (রা.)-এর প্রতি সালাত ও সালাম পেশ করা। এর পাশাপাশি অসংখ্য সাহাবির স্মৃতিবিজড়িত জান্নাতুল বাকি কবরস্থান জিয়ারত করাও সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত।

তৃতীয় আমলটি হলো ইসলামের ইতিহাসে প্রথম নির্মিত মসজিদ ‘মসজিদে কুবায়’ নামাজ আদায় করা। নিজ ঘরে অজু করে এই মসজিদে এসে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলে একটি ওমরাহর সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করা যায়।

চতুর্থ সুন্নত আমলটি হলো ওহুদ প্রান্তরে গিয়ে ইসলামের মহান শহিদদের কবর জিয়ারত করা। হজরত হামজা (রা.)-সহ ওহুদের শহিদদের কবর জিয়ারত করে সালাম পেশ করলে কেয়ামত পর্যন্ত শহিদগণ সেই সালামের জবাব দেবেন বলে বর্ণনায় এসেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ