রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাট এলাকায় মদপান করে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন—উপজেলার কাফ্রিখাল ইউনিয়নের সাতভেন্টি এনায়েতপুর গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে ছাত্তার মিয়া এবং বালারহাট ইউনিয়নের বুজরুক ঝালাই গ্রামের মৃত মতিয়ার মিয়ার ছেলে হুজুর আলী। অন্যদিকে অসুস্থরা হলেন—বুজরুক ঝালাই পাকারমাথা এলাকার মৃত সুলতান আলীর ছেলে মো. এরশাদ মিয়া এবং সংগ্রামপুর বেলতলা এলাকার মৃত কফুর উদ্দিনের ছেলে মো. সাজু মিয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে বালারহাট বাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি নিষিদ্ধ অ্যালকোহল পান করে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা অসুস্থদের দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হুজুর আলী মৃত্যুবরণ করেন। অন্যদিকে ছাত্তার মিয়া তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে কয়ারমারি গুচ্ছগ্রামে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সেখানেই মারা যান।
ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মিঠাপুকুর থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মাইদুল ইসলাম জানান, তারা মদপান করেই মারা গেছেন এবং লাশের ময়নাতদন্ত যাতে না করাতে হয়, সেজন্য পরিবারের লোকজন বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করছে।
মিঠাপুকুর থানার ওসি এরশাদ হোসেন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখনো তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বালারহাট এলাকায় মদপান করে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন—উপজেলার কাফ্রিখাল ইউনিয়নের সাতভেন্টি এনায়েতপুর গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে ছাত্তার মিয়া এবং বালারহাট ইউনিয়নের বুজরুক ঝালাই গ্রামের মৃত মতিয়ার মিয়ার ছেলে হুজুর আলী। অন্যদিকে অসুস্থরা হলেন—বুজরুক ঝালাই পাকারমাথা এলাকার মৃত সুলতান আলীর ছেলে মো. এরশাদ মিয়া এবং সংগ্রামপুর বেলতলা এলাকার মৃত কফুর উদ্দিনের ছেলে মো. সাজু মিয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাতে বালারহাট বাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি নিষিদ্ধ অ্যালকোহল পান করে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা অসুস্থদের দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হুজুর আলী মৃত্যুবরণ করেন। অন্যদিকে ছাত্তার মিয়া তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে কয়ারমারি গুচ্ছগ্রামে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সেখানেই মারা যান।
ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মিঠাপুকুর থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মাইদুল ইসলাম জানান, তারা মদপান করেই মারা গেছেন এবং লাশের ময়নাতদন্ত যাতে না করাতে হয়, সেজন্য পরিবারের লোকজন বিষয়টি গোপন করার চেষ্টা করছে।
মিঠাপুকুর থানার ওসি এরশাদ হোসেন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখনো তদন্ত চলমান রয়েছে এবং তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন