বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খান জাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘিতে গোসল করতে নেমে কুমিরের হামলার শিকার হওয়া আট বছর বয়সী অনাথ শিশু ফাতেমা আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার পর রাতভর তল্লাশি চালিয়ে মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে দিঘি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম জানান, ফাতেমাকে কুমিরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস, মাজার কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনগণ চারটি নৌকা নিয়ে যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। এই উদ্ধার অভিযানের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন এবং পুলিশ সুপার মো. হাসান নাসের রিকাবদার মাজার প্রাঙ্গণে ছুটে যান ও অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
নিহত অনাথ শিশু ফাতেমার পিতৃপরিচয় ও মায়ের নাম স্থানীয় অনেকেই জানেন না, তবে তার মা একজন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। মাজারের ঘাটসহ ওই এলাকায় অনেকটা অযত্ন-অবহেলায় এবং মানুষের কাছ থেকে চেয়ে-চিন্তে ফাতেমা ও তার মায়ের জীবন চলত।
হৃদয়বিদারক এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মাজারের অব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে এবং দিঘিতে কুমির রাখা বন্ধের দাবি উঠেছে। মূলত মাজারসংলগ্ন ঘাট এলাকায় কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় যে যার মতো দিঘির পানিতে নামার অবাধ সুযোগ রয়েছে, যা পূর্বেও একাধিকবার কুমিরের হামলায় মানুষ আহত ও নিহত হওয়ার কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বাগেরহাট সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাত জানান, কয়েক মাস আগেও মাজারের এই দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে একটি কুকুরের মৃত্যু হয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও মূল্য তার চেয়ে অনেক বেশি, তাই মাজার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দিঘিতে আর কুমির রাখা হবে কিনা সে বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খান জাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘিতে গোসল করতে নেমে কুমিরের হামলার শিকার হওয়া আট বছর বয়সী অনাথ শিশু ফাতেমা আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার পর রাতভর তল্লাশি চালিয়ে মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে দিঘি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম জানান, ফাতেমাকে কুমিরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস, মাজার কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনগণ চারটি নৌকা নিয়ে যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। এই উদ্ধার অভিযানের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন এবং পুলিশ সুপার মো. হাসান নাসের রিকাবদার মাজার প্রাঙ্গণে ছুটে যান ও অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
নিহত অনাথ শিশু ফাতেমার পিতৃপরিচয় ও মায়ের নাম স্থানীয় অনেকেই জানেন না, তবে তার মা একজন মানসিক ভারসাম্যহীন নারী। মাজারের ঘাটসহ ওই এলাকায় অনেকটা অযত্ন-অবহেলায় এবং মানুষের কাছ থেকে চেয়ে-চিন্তে ফাতেমা ও তার মায়ের জীবন চলত।
হৃদয়বিদারক এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় মাজারের অব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে এবং দিঘিতে কুমির রাখা বন্ধের দাবি উঠেছে। মূলত মাজারসংলগ্ন ঘাট এলাকায় কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী না থাকায় যে যার মতো দিঘির পানিতে নামার অবাধ সুযোগ রয়েছে, যা পূর্বেও একাধিকবার কুমিরের হামলায় মানুষ আহত ও নিহত হওয়ার কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বাগেরহাট সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাত জানান, কয়েক মাস আগেও মাজারের এই দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে একটি কুকুরের মৃত্যু হয়েছিল। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ হলেও মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও মূল্য তার চেয়ে অনেক বেশি, তাই মাজার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দিঘিতে আর কুমির রাখা হবে কিনা সে বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন