ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে শুরু হওয়া এই হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির রাজধানী কিয়েভ ও দনিপ্রো শহর।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দনিপ্রো শহরে চারজন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন এবং রাজধানী কিয়েভে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। হামলার সময় আকাশ জুড়ে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা দিলে হাজার হাজার মানুষ বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান এবং দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো এবং কিয়েভ নগর সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালাচ্ছে। হামলায় দুটি বহুতল আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ে থাকার আশঙ্কার পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এই হামলার আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সোমবার রাতে দেশবাসীকে সম্ভাব্য বড় ধরনের রুশ হামলার ব্যাপারে গোয়েন্দা সতর্কতার কথা জানিয়ে সতর্ক করেছিলেন। গত সপ্তাহে রাশিয়া ঘোষণা করেছিল যে তারা কিয়েভের সামরিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে এবং এর অংশ হিসেবেই দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিঝিয়ায় অঞ্চলের একটি শিল্প স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়েছে।
রাশিয়ার দাবি, গত মাসে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলের একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় ২১ জন নিহত হওয়ার জবাবে তারা এই পরিকল্পিত হামলা চালাচ্ছে। তবে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২১ থেকে ২২ মে রাতে স্টারোবিলস্কের কাছে তাদের চালানো সেই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল একটি রুশ সামরিক ইউনিট, কোনো বেসামরিক স্থাপনা নয়।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে শুরু হওয়া এই হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির রাজধানী কিয়েভ ও দনিপ্রো শহর।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দনিপ্রো শহরে চারজন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন এবং রাজধানী কিয়েভে একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। হামলার সময় আকাশ জুড়ে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা দিলে হাজার হাজার মানুষ বোমা আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান এবং দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো এবং কিয়েভ নগর সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালাচ্ছে। হামলায় দুটি বহুতল আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকা পড়ে থাকার আশঙ্কার পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এই হামলার আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সোমবার রাতে দেশবাসীকে সম্ভাব্য বড় ধরনের রুশ হামলার ব্যাপারে গোয়েন্দা সতর্কতার কথা জানিয়ে সতর্ক করেছিলেন। গত সপ্তাহে রাশিয়া ঘোষণা করেছিল যে তারা কিয়েভের সামরিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে এবং এর অংশ হিসেবেই দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিঝিয়ায় অঞ্চলের একটি শিল্প স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়েছে।
রাশিয়ার দাবি, গত মাসে রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলের একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় ২১ জন নিহত হওয়ার জবাবে তারা এই পরিকল্পিত হামলা চালাচ্ছে। তবে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২১ থেকে ২২ মে রাতে স্টারোবিলস্কের কাছে তাদের চালানো সেই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল একটি রুশ সামরিক ইউনিট, কোনো বেসামরিক স্থাপনা নয়।

আপনার মতামত লিখুন