রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আজ শুরু হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।
এর আগে গত ১ জুন মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু সাক্ষী উপস্থাপন করবেন এবং এরপর স্টেট ডিফেন্স অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহ সাক্ষীকে জেরা করবেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান গত ২৪ মে আদালতে চার্জশিট জমা দেন, যা পরবর্তীতে বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়। এর আগে ২৩ মে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) শিশু রামিসার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছিল।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজেদের রুমে নিয়ে যান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রামিসার মা আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান এবং ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথাটি একটি বড় বালতির ভেতরে দেখতে পান।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় এবং পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। ঘটনার দিনই শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন এবং ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল জানান, তাঁর স্ত্রী স্বপ্না শিশুটিকে রুমে নিয়ে আসার পর তিনি বাথরুমে নিয়ে রামিসাকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় রামিসার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে ধরা পড়ার ভয়ে সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করেন এবং পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মাথাটি ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করে খাটের নিচে লুকিয়ে রেখে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আজ শুরু হতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।
এর আগে গত ১ জুন মামলার দুই আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু সাক্ষী উপস্থাপন করবেন এবং এরপর স্টেট ডিফেন্স অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহ সাক্ষীকে জেরা করবেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান গত ২৪ মে আদালতে চার্জশিট জমা দেন, যা পরবর্তীতে বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়। এর আগে ২৩ মে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) শিশু রামিসার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেছিল।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজেদের রুমে নিয়ে যান। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রামিসার মা আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান এবং ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথাটি একটি বড় বালতির ভেতরে দেখতে পান।
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় এবং পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। ঘটনার দিনই শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন এবং ২০ মে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সোহেল জানান, তাঁর স্ত্রী স্বপ্না শিশুটিকে রুমে নিয়ে আসার পর তিনি বাথরুমে নিয়ে রামিসাকে ধর্ষণ করেন। ওই সময় রামিসার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে ধরা পড়ার ভয়ে সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করেন এবং পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মাথাটি ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করে খাটের নিচে লুকিয়ে রেখে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান।

আপনার মতামত লিখুন