মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বজ্রপাতে ছয়টি চা শ্রমিক পরিবারের ১৩টি গরু ও একটি মহিষের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সকালে উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের কুচাই চা বাগানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোতে এখন চলছে শোকের মাতম। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বজ্রসহ বৃষ্টির সময় কুচাই চা বাগানের শ্রমিকদের গবাদিপশুগুলো বাগানের 'কুচাই জালাই' ও 'পাথরটিলা' নামক স্থানে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ একই সময়ে দুটি স্থানে তীব্র বজ্রপাত ঘটে। এতে কুচাই জালাই এলাকায় চা শ্রমিক বুধু লালের দুটি, চিনি লালের একটি, রবি মোহনের তিনটি, রাজন কুর্মীর তিনটি, কালাচানের দুটি ও মকরো গোয়ালার একটিসহ মোট ১৩টি গরু এবং পাথরটিলা এলাকায় বিরসা নামক আরেক চা শ্রমিকের একটি মহিষ মারা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো গবাদিপশু হারিয়ে সম্পূর্ণ নিঃস্ব ও দিশেহারা হয়ে পড়েছে, কারণ এগুলোই ছিল তাদের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। গোয়ালবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়েই তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে জানানো হলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বজ্রপাতে ছয়টি চা শ্রমিক পরিবারের ১৩টি গরু ও একটি মহিষের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) সকালে উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের কুচাই চা বাগানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। জীবিকার প্রধান অবলম্বন হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোতে এখন চলছে শোকের মাতম। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বজ্রসহ বৃষ্টির সময় কুচাই চা বাগানের শ্রমিকদের গবাদিপশুগুলো বাগানের 'কুচাই জালাই' ও 'পাথরটিলা' নামক স্থানে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ একই সময়ে দুটি স্থানে তীব্র বজ্রপাত ঘটে। এতে কুচাই জালাই এলাকায় চা শ্রমিক বুধু লালের দুটি, চিনি লালের একটি, রবি মোহনের তিনটি, রাজন কুর্মীর তিনটি, কালাচানের দুটি ও মকরো গোয়ালার একটিসহ মোট ১৩টি গরু এবং পাথরটিলা এলাকায় বিরসা নামক আরেক চা শ্রমিকের একটি মহিষ মারা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো গবাদিপশু হারিয়ে সম্পূর্ণ নিঃস্ব ও দিশেহারা হয়ে পড়েছে, কারণ এগুলোই ছিল তাদের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। গোয়ালবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়েই তিনি দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে জানানো হলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

আপনার মতামত লিখুন