চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসানের পর ইরানের মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা পারমাণবিক পদার্থ যৌথভাবে উদ্ধার করার বিষয়ে তেহরান রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুদ্ধ শেষ হওয়া মাত্রই ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল সেখানে প্রবেশ করবে এবং সমাহিত পারমাণবিক পদার্থ খুঁড়ে বের করবে। ভূগর্ভ থেকে এই উপাদানগুলো বের করা অত্যন্ত জটিল উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, এর প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কাছেই রয়েছে এবং ইরানি কর্মকর্তারা কয়েকবার মত পরিবর্তন করলেও বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মার্কিন দল সেখানে যাচ্ছে।
মার্কিন স্পেস ফোর্সের ক্যামেরার মাধ্যমে ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের মতো ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক কমপ্লেক্সগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে ট্রাম্প উল্লেখ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ওই এলাকাগুলোতে কেউ প্রবেশের চেষ্টা করলেই তা ধরা পড়বে এবং প্রয়োজনে আরও বড় হামলা চালানো হবে।
তবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়কার ইরান জিম্মি সংকটের ঐতিহাসিক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে ট্রাম্প স্পষ্ট জানান, চলমান সংঘাতের মধ্যে মার্কিন সেনাদের ঝুঁকিতে ফেলা হবে না। এই উদ্ধার অভিযান কেবল যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হওয়ার পরই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ভিত্তিতে শুরু হবে এবং উদ্ধারকৃত পারমাণবিক পদার্থগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসানের পর ইরানের মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা পারমাণবিক পদার্থ যৌথভাবে উদ্ধার করার বিষয়ে তেহরান রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের তিনি জানান, যুদ্ধ শেষ হওয়া মাত্রই ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল সেখানে প্রবেশ করবে এবং সমাহিত পারমাণবিক পদার্থ খুঁড়ে বের করবে। ভূগর্ভ থেকে এই উপাদানগুলো বের করা অত্যন্ত জটিল উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, এর প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কাছেই রয়েছে এবং ইরানি কর্মকর্তারা কয়েকবার মত পরিবর্তন করলেও বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মার্কিন দল সেখানে যাচ্ছে।
মার্কিন স্পেস ফোর্সের ক্যামেরার মাধ্যমে ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ এবং ইসফাহানের মতো ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক কমপ্লেক্সগুলোর ওপর সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে ট্রাম্প উল্লেখ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ওই এলাকাগুলোতে কেউ প্রবেশের চেষ্টা করলেই তা ধরা পড়বে এবং প্রয়োজনে আরও বড় হামলা চালানো হবে।
তবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়কার ইরান জিম্মি সংকটের ঐতিহাসিক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে ট্রাম্প স্পষ্ট জানান, চলমান সংঘাতের মধ্যে মার্কিন সেনাদের ঝুঁকিতে ফেলা হবে না। এই উদ্ধার অভিযান কেবল যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হওয়ার পরই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির ভিত্তিতে শুরু হবে এবং উদ্ধারকৃত পারমাণবিক পদার্থগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন