যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১৬ এপ্রিল ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে বৈরিতা অবসানের চুক্তি হলেও দেশটিতে দৈনিক হামলা ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। চলমান এই সংঘাতে এ পর্যন্ত তিন হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ লক্ষাধিক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে লেবাননের রাজনীতি ও কূটনীতিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ফ্রান্স।
সম্প্রতি বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলের সম্ভাব্য বিমান হামলা ঠেকাতে মার্কিন হস্তক্ষেপের পর, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ করেন। বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাক্রোঁর এই তৎপরতা প্রমাণ করে যে প্যারিস এখনো লেবাননের সংকট সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চায়। মূলত লেবাননে যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য বা অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে ফ্রান্স। নিজেদের পুরোনো ঔপনিবেশিক ঐতিহ্য ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে লেবাননকে একটি কৌশলগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে প্যারিস।
বর্তমানে লেবাননে নিযুক্ত জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনীর (ইউনিফিল) ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ায় ওই অঞ্চলে ফ্রান্সের প্রভাব দিন দিন কমছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ঐতিহাসিক ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এবং প্রভাবের অবক্ষয় রোধ করতে ফ্রান্স এখন নতুন কোনো উপায়ের সন্ধান করছে। আর এই কারণেই লেবাননের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্যারিসের এত গভীর আগ্রহ ও কূটনৈতিক তৎপরতা দৃশ্যমান হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১৬ এপ্রিল ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে বৈরিতা অবসানের চুক্তি হলেও দেশটিতে দৈনিক হামলা ও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। চলমান এই সংঘাতে এ পর্যন্ত তিন হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১০ লক্ষাধিক বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই চরম সংকটময় পরিস্থিতিতে লেবাননের রাজনীতি ও কূটনীতিতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ফ্রান্স।
সম্প্রতি বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলের সম্ভাব্য বিমান হামলা ঠেকাতে মার্কিন হস্তক্ষেপের পর, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ করেন। বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাক্রোঁর এই তৎপরতা প্রমাণ করে যে প্যারিস এখনো লেবাননের সংকট সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে চায়। মূলত লেবাননে যুক্তরাষ্ট্রের একক আধিপত্য বা অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে গভীর উদ্বেগে রয়েছে ফ্রান্স। নিজেদের পুরোনো ঔপনিবেশিক ঐতিহ্য ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে লেবাননকে একটি কৌশলগত ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে প্যারিস।
বর্তমানে লেবাননে নিযুক্ত জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনীর (ইউনিফিল) ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ায় ওই অঞ্চলে ফ্রান্সের প্রভাব দিন দিন কমছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের ঐতিহাসিক ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এবং প্রভাবের অবক্ষয় রোধ করতে ফ্রান্স এখন নতুন কোনো উপায়ের সন্ধান করছে। আর এই কারণেই লেবাননের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্যারিসের এত গভীর আগ্রহ ও কূটনৈতিক তৎপরতা দৃশ্যমান হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন