হজ শেষে হাজিদের উদ্বৃত্ত ইহরামের কাপড়কে পরিবেশবান্ধব সম্পদে রূপান্তর করতে ‘টেকসই ইহরাম’ নামে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জাতীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের এই প্রকল্পের আওতায় গত এক বছরে ব্যবহৃত ইহরামের কাপড় পুনর্ব্যবহার করে ৫ হাজারেরও বেশি নতুন পণ্য তৈরি করা হয়েছে।
এই চক্রাকার অর্থনীতি (Circular Economy) মডেলের মাধ্যমে ২১১ টনেরও বেশি কাপড়ের বর্জ্য ল্যান্ডফিলে জমা হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে, যা হজ মৌসুমে কার্বন নিঃসরণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। একই সাথে এই উদ্যোগে ৩০টি খণ্ডকালীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং উৎপাদনমুখী পরিবারের ২৫ জন প্রান্তিক নারী দর্জি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে নির্দিষ্ট বুথ থেকে কাপড় সংগ্রহ করে আধুনিক প্রযুক্তিতে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করা হয় এবং পরবর্তীতে তা দিয়ে আকর্ষণীয় ব্যাগ, বালিশ, কভার ও উপহারসামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি ২২টি প্রতিষ্ঠানের যৌথ অংশীদারিত্বের এই প্রকল্পে প্রায় ২ লাখ হাজি অংশ নিয়েছেন। উল্লেখ্য, কাপড়ের পাশাপাশি হজের উদ্বৃত্ত খাবারকে জৈব সারে রূপান্তরের কাজও করছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
হজ শেষে হাজিদের উদ্বৃত্ত ইহরামের কাপড়কে পরিবেশবান্ধব সম্পদে রূপান্তর করতে ‘টেকসই ইহরাম’ নামে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জাতীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের এই প্রকল্পের আওতায় গত এক বছরে ব্যবহৃত ইহরামের কাপড় পুনর্ব্যবহার করে ৫ হাজারেরও বেশি নতুন পণ্য তৈরি করা হয়েছে।
এই চক্রাকার অর্থনীতি (Circular Economy) মডেলের মাধ্যমে ২১১ টনেরও বেশি কাপড়ের বর্জ্য ল্যান্ডফিলে জমা হওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে, যা হজ মৌসুমে কার্বন নিঃসরণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। একই সাথে এই উদ্যোগে ৩০টি খণ্ডকালীন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং উৎপাদনমুখী পরিবারের ২৫ জন প্রান্তিক নারী দর্জি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে নির্দিষ্ট বুথ থেকে কাপড় সংগ্রহ করে আধুনিক প্রযুক্তিতে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করা হয় এবং পরবর্তীতে তা দিয়ে আকর্ষণীয় ব্যাগ, বালিশ, কভার ও উপহারসামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি ২২টি প্রতিষ্ঠানের যৌথ অংশীদারিত্বের এই প্রকল্পে প্রায় ২ লাখ হাজি অংশ নিয়েছেন। উল্লেখ্য, কাপড়ের পাশাপাশি হজের উদ্বৃত্ত খাবারকে জৈব সারে রূপান্তরের কাজও করছে সংস্থাটি।

আপনার মতামত লিখুন