ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের ঊর্ধ্বগতি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনকে তীব্র আর্থিক সংকটের মুখে ফেলেছে। এবিসি নিউজ ও টিআরটি ওয়ার্ল্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রমবর্ধমান এই ব্যয়ের কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বড় ধরনের বাজেট চাপের সম্মুখীন হচ্ছে।
জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি (২৭% লাফ): গত অক্টোবর মাসে পেন্টাগন প্রতি ব্যারেল সামরিক জ্বালানির জন্য গড়ে ১৫৪.১৪ ডলার ব্যয় করলেও, ২০২৬ সালের এপ্রিলে তা বেড়ে ১৯৫.৭২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই হিসাবে পেট্রোল এবং জেট ফুয়েলসহ প্রায় ২৪ ধরনের জ্বালানি অন্তর্ভুক্ত।
১ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত ধাক্কা: বছরে প্রায় ৮ কোটি ব্যারেল জ্বালানি ব্যবহার করা মার্কিন সামরিক বাহিনীতে শুধু বিমান, ট্যাংক ও যুদ্ধসরঞ্জাম পরিচালনায় এবার অতিরিক্ত ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ হতে পারে।
৪ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বাজেট ঘাটতি: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর চলতি অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই মার্কিন সেনাবাহিনী এই বিশাল অঙ্কের বাজেট ঘাটতির মুখে পড়েছে।
বাজেট ঘাটতির ৩টি মূল কারণ: ১. মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যৌথ সামরিক অভিযান। ২. মার্কিন সীমান্ত নিরাপত্তা মিশনের অতিরিক্ত ব্যয়। ৩. ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের চলমান মোতায়েন খরচ।
জ্বালানির চড়া মূল্যের কারণে বেসামরিক পরিবহন ও বাণিজ্যিক বিমান ভাড়াও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সেনা সদস্যদের রসদ ও যাতায়াত খরচ নিয়ন্ত্রণে আনতে সামরিক ভ্রমণ খাতে কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল অরল্যান্ডো হাওয়ার্ড জানিয়েছেন যে, খরচ কমাতে গত এপ্রিল মাস থেকেই কিছু সামরিক ইউনিট তাদের নির্ধারিত প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য কর্মসূচি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস বা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ইরান যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের ঊর্ধ্বগতি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনকে তীব্র আর্থিক সংকটের মুখে ফেলেছে। এবিসি নিউজ ও টিআরটি ওয়ার্ল্ড-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রমবর্ধমান এই ব্যয়ের কারণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বড় ধরনের বাজেট চাপের সম্মুখীন হচ্ছে।
জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি (২৭% লাফ): গত অক্টোবর মাসে পেন্টাগন প্রতি ব্যারেল সামরিক জ্বালানির জন্য গড়ে ১৫৪.১৪ ডলার ব্যয় করলেও, ২০২৬ সালের এপ্রিলে তা বেড়ে ১৯৫.৭২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এই হিসাবে পেট্রোল এবং জেট ফুয়েলসহ প্রায় ২৪ ধরনের জ্বালানি অন্তর্ভুক্ত।
১ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত ধাক্কা: বছরে প্রায় ৮ কোটি ব্যারেল জ্বালানি ব্যবহার করা মার্কিন সামরিক বাহিনীতে শুধু বিমান, ট্যাংক ও যুদ্ধসরঞ্জাম পরিচালনায় এবার অতিরিক্ত ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ হতে পারে।
৪ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের বাজেট ঘাটতি: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর চলতি অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই মার্কিন সেনাবাহিনী এই বিশাল অঙ্কের বাজেট ঘাটতির মুখে পড়েছে।
বাজেট ঘাটতির ৩টি মূল কারণ: ১. মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যৌথ সামরিক অভিযান। ২. মার্কিন সীমান্ত নিরাপত্তা মিশনের অতিরিক্ত ব্যয়। ৩. ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের চলমান মোতায়েন খরচ।
জ্বালানির চড়া মূল্যের কারণে বেসামরিক পরিবহন ও বাণিজ্যিক বিমান ভাড়াও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সেনা সদস্যদের রসদ ও যাতায়াত খরচ নিয়ন্ত্রণে আনতে সামরিক ভ্রমণ খাতে কঠোর নজরদারি শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল অরল্যান্ডো হাওয়ার্ড জানিয়েছেন যে, খরচ কমাতে গত এপ্রিল মাস থেকেই কিছু সামরিক ইউনিট তাদের নির্ধারিত প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য কর্মসূচি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস বা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন