বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত হযরত শাহ সুলতান বলখী মাহীসওয়ার (রহ.)-এর মাজারের ১৫টি দানবাক্স (লোহার সিন্দুক) থেকে মোট ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২ টাকা পাওয়া গেছে। দীর্ঘ বিরতি এবং গত ১৪ মে অনুষ্ঠিত বার্ষিক বৈশাখী ওরসের পর গত মঙ্গলবার সিন্দুকগুলো খোলা হয়। দুই দিন ধরে গণনা শেষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে মাজার কমিটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অন্যান্য প্রাপ্তি: নগদ টাকার পাশাপাশি কিছু স্বর্ণালংকার (আনুমানিক মূল্য ৬-৭ হাজার টাকা) এবং ৮টি বিদেশি মুদ্রা পাওয়া গেছে।
গণনা প্রক্রিয়া: জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জামাল ও মাজার কমিটির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই গণনা সম্পন্ন হয়। এতে স্থানীয় অগ্রণী ব্যাংকের ১৫ জন কর্মকর্তা, মাজার কমিটির সদস্য এবং মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।
অর্থের ব্যবহার: মাজারের সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল করিম জানান, দানকৃত এই অর্থ মাজারের উন্নয়ন, এতিমখানা পরিচালনা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন এবং স্থানীয় দরিদ্র মানুষের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত হযরত শাহ সুলতান বলখী মাহীসওয়ার (রহ.)-এর মাজারের ১৫টি দানবাক্স (লোহার সিন্দুক) থেকে মোট ৩৪ লাখ ৫৪ হাজার ৬২ টাকা পাওয়া গেছে। দীর্ঘ বিরতি এবং গত ১৪ মে অনুষ্ঠিত বার্ষিক বৈশাখী ওরসের পর গত মঙ্গলবার সিন্দুকগুলো খোলা হয়। দুই দিন ধরে গণনা শেষে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে মাজার কমিটি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অন্যান্য প্রাপ্তি: নগদ টাকার পাশাপাশি কিছু স্বর্ণালংকার (আনুমানিক মূল্য ৬-৭ হাজার টাকা) এবং ৮টি বিদেশি মুদ্রা পাওয়া গেছে।
গণনা প্রক্রিয়া: জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহ জামাল ও মাজার কমিটির কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই গণনা সম্পন্ন হয়। এতে স্থানীয় অগ্রণী ব্যাংকের ১৫ জন কর্মকর্তা, মাজার কমিটির সদস্য এবং মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন।
অর্থের ব্যবহার: মাজারের সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা রবিউল করিম জানান, দানকৃত এই অর্থ মাজারের উন্নয়ন, এতিমখানা পরিচালনা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন এবং স্থানীয় দরিদ্র মানুষের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন